Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

অবশিষ্ট আর রইল না!

1 min read

শহরের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আবাসিক এলাকা ঝিলটুলীর ঝিলের অবশিষ্ট অংশটুকুও ভরাট করা হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরে পদ্মা নদী থেকে বালি মাটি এনে অনাথের মোড়ের নিকট ঐতিহ্যবাহী ঝিলের শেষ অংশ ভরাট করা হচ্ছে। এই অংশটুকু ভরাট হয়ে গেলে ঝিলটুলীতে ঝিল বলে আর কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না। এতে পানি নিষ্কাশন ও অগ্নি নির্বাপণে সমস্যাসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে বলে আশঙ্কা করছে সচেতন মহল।

আনুমানিক এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এই ঝিলটি ফরিদপুর খালের বাদামতলি সেতুর নিকট থেকে শুরু হয়ে অনাথের আচারের মোড় হয়ে দক্ষিণে কমলাপুর মহল্লার ঢোল সমুদ্রে গিয়ে পড়েছে। এই নৌপথটি ছিলো শহরের পানি নিষ্কাশন ও জরুরি প্রয়োজনে পানি সরবরাহের অন্যতম উৎস। ঝিলের শুরুর পথে উত্তর পাশে টাউন থিয়েটার থেকে অম্বিকা হল পর্যন্ত অংশটুকু ১৯৭৯ সালে স্থায়ীভাবে ভরাট করে ফেলা হয়। এখন পুরাতন স্থাপনা ভেঙে সেখানে ১০তলা বিশিষ্ট পৌর সুপার মার্কেট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ওই ঝিল ভরাট করে ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতাল, বি এম এ ভবন, প্রকৌশল সমিতি, চৌরঙ্গী হোটেল, সুফিক্লাব পাঠাগারসহ বিভিন্ন নামে স্থাপনা নির্মিত হয়েছে। অনাথের আচারের দোকানের মোড় পর্যন্ত টিকে থাকা ঝিলটির অবশিষ্ট প্রায় ৫শ’ মিটার জুড়ে গত মাস থেকে ভরাট করা হচ্ছে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের উদ্যোগে।

রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী দাবি করেন, ১৯৫৫-৫৬ সালে এক নিলাম ক্রয়ের মাধ্যমে ঝিলটির এই অংশের মালিক হয় রাজেন্দ্র কলেজ। ঝিলের পাড়ে নতুন একটি ছাত্রীনিবাস স্থাপন করা হয়েছে। এখন ঝিল ভরাট করে ওই ছাত্রীনিবাসের সীমানা প্রাচির হবে। ভরাট কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার প্রতিনিধি গোলাম মনসুর নান্নু জানান, গত ১ জুন থেকে রাজেন্দ্র কলেজ কর্তৃপক্ষ এটি ভরাট করাচ্ছে। প্রতিদিন পাঁচটি ট্রাকে মাটি এনে ফেলা হচ্ছে।

ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র শেখ মাহাতাব আলী বলেন, ওই ঝিলটি সরকারি খাস সম্পত্তি হিসেবে আমাদের জানা ছিল। এখন শুনছি ওটির মালিকানা রাজেন্দ্র কলেজসহ বিভিন্ন ব্যাক্তি। পৌর মেয়র জানান. শহরের বিস্তীর্ন অঞ্চলের বৃষ্টির পানি ওই ঝিল দিয়ে অপসারিত হয়। ঝিলটি ভরাট করে ফেলা হলে শহরের প্রাণকেন্দ্রে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। যা প্রকারন্তরে সর্বস্তরের পৌরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। একারণে ফরিদপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ওই ঝিলটিতে পানি প্রবাহের ধারা অক্ষুন্ন রেখে কাজ করার জন্য রাজেন্দ্র কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA