ইইউ থেকে ব্রিটেনকে বের হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে

প্রকাশিত:রবিবার, ১৪ আগ ২০১৬ ১১:০৮

ইইউ থেকে ব্রিটেনকে বের হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে

ডেস্ক নিউজ:ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়া অর্থাৎ, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু হতে বিলম্ব হতে পারে ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ। কারণ, সরকারে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করায় আগামী বছরের শুরুতেই দুইবছরব্যাপী ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করতে পারছেনা ব্রিটেন। মন্ত্রীদের ব্রিফিংয়ের ভিত্তিতে কয়েকটি সূত্রের দেওয়া তথ্য উদ্ধৃত করে একথা জানিয়েছে ‘দ্য সানডে টাইমস’ পত্রিকা। ২৩ জুন ব্রিটিশরা ইইউ ত্যাগের পক্ষে ভোট দেয়।
ইইউ গঠনতন্ত্রের ‘আর্টিকেল ফিফটি’ অনুযায়ী কোনও দেশকে ইইউ ত্যাগের জন্য দুই বছর সময় বেঁধে দেওয়া আছে। যদিও ইইউ নেতারা যুক্তরাজ্যকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন। গণভোটে ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় প্রকাশের দিনই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন ওই সময়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, যিনি যুক্তরাজ্যের ইইউ’তে থেকে যাওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মেও ইইউ’তে থেকে যাওয়ার পক্ষে সমর্থন দিয়েছিলেন। যদিও তার মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য ব্রেক্সিটের পক্ষে ছিলেন। যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগের প্রস্তুতি নিতে সময় প্রয়োজন। তাই এ বছর ব্রেক্সিট নিয়ে কোনও আলোচনা শুরু করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মে।
দুইজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর বরাত দিয়ে সানডে টাইমস এ বলা হয়, “মন্ত্রীদের ধারণা, ২০১৭ সালের শরৎকালের আগে আর্টিকেল ফিফটি নিয়ে কাজ শুরু সম্ভব হবে না।” “কি ধরনের লোকজন ভাড়া করতে হবে সে বিষয়ে তাদের কোনও পরিকল্পনা প্রস্তুত হয়নি। এমনকি ইউরোপের সঙ্গে চূড়ান্ত দরাদরি শুরুর সময় কি প্রশ্ন করতে হবে সে বিষয়েও এখনও তারা কিছু জানে না।”
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্রদের একজন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করেই বলেছেন, তার সরকার সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের জনগণের ইইউ ত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে এবং ব্রেক্সিটকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলবে।” “প্রধানমন্ত্রী আর্টিকেল ফিফটি অনুযায়ী সরকারের অবস্থান ঠিক করেছে এবং শুধু ব্রেক্সিট আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছেন।”

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •