ইতালিতে তিন বছরের মধ্যে নাগরিকত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টে ২০২০ ০২:০৯

ইতালিতে তিন বছরের মধ্যে নাগরিকত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত

ইতালিতে তিন বছরের মধ্যেই ভিনদেশী নাগরিকদের ইতালিয়ান নাগরিকত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। যে-কোনো দেশের নাগরিকরা দেশটিতে বৈধভাবে দশ বছর থাকার পর নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করতে পারলেও নানা জটিলতায় আরো চার বছর অপেক্ষা করতে হত বিশ্বের শক্তিশালী এই পাসপোর্ট পেতে। তবে বর্তমানে এ সময়সীমা চার বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে বৈধভাবে দশ বছর বসবাসের পরে ইতালির নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যেই নাগরিক লাভ করবে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।

 

জানা যায়, ২০১৮ সালের আগে কোন অভিবাসী ইতালিতে দশ বছর বৈধভাবে বসবাসের পর পরবর্তী দুই বছরের মধ্যেই দেশটির নাগরিকত্ব পেত। তবে ২০১৮ সালে দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কট্টোর ডানপন্থী নেতা মাত্ত্বেও সালভিনি যৌথভাবে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসীদের পক্ষের বিভিন্ন আইনের পরিবর্তন করেন। এসময় অভিবাসীদের নাগরিকত্ব প্রদানের আইনও পরিবর্তন সালভিনি।

সালভিনির নতুন আইনানুযায়ী কোন অভিবাসী ইতালিতে দশ বছর বৈধভাবে থাকার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন কিন্তু নাগরিকত্ব পেতে সময় লাগবে আরো অতিরিক্ত চার বছর। এতে ধৈর্যহারা হয়ে পড়েন দেশটিতে বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।

 

পরবর্তীতে সালভিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবার পর বর্তমান অভিবাসী বান্ধব যৌথ সরকারের কাছে সালভিনির আইনটি বাতিল করার দাবী জানায় অভিবাসীদের বিভিন্ন দেশের সংগঠন।

ইতোমধ্যে এবিষয়ে দেশটির সরকার আলোচনার মাধ্যমে নাগরিক আইন কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে দশবছর পর আর চার বছর নয় তিন বছরেই মিলবে বিশ্বের শক্তিধর এ পাসপোর্ট।

এতে আনন্দ প্রকাশ করেছে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এ বিষয়ে দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে বাস করা রুহুল হোসাইন বলেন, ‘সরকারের নতুন এ সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য কিছুটা হলেও ভালো হবে। পাসপোর্ট পেতে আমাদের ভোগান্তি কমে আসবে’।

উল্লেখ্য, বিগত দিনে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে ইতালির পাসপোর্ট নেবার অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীর নাগরিকত্ব জব্দও করেছে সালভিনি সরকার।

এই সংবাদটি 1,244 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •