উদ্বুদ্ধ হয়ে ধানচাষ করেছেন কাউন্সিলর টুনু খান

প্রকাশিত:বুধবার, ১৯ আগ ২০২০ ০৫:০৮

হুমায়ুন কবীর রিন্টু , নড়াইল :
নড়াইল পৌরসভার ২ নং বরাশুলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর খান রবিউল ইসলাম টুনু। বরাশুলা এলাকায় বাড়ির পাশেই অনাবাদি পড়ে থাকা ৩ একর জমিতে এবার ধান চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। চলতি মৌসুমে তিনি রোপা আমন ধানের আবাদ করেছেন। নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস বুধবার (১৯ আগষ্ট) সরজমিন ধানক্ষেত দেখতে গেলে স্থানীয়রা জানান টুনু খান শুধু একজন রজনীতিক নন,বিশিষ্ট এই আওয়ামী লীগ নেতা যে একজন ভালো কৃষক তিনি সে প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি ৩ একর জমিতে নাইজার শাইল জাতের ধান লাগিয়ে নিজেই ¤্রমিকদের সাথে পরিচর্যার কাজ করেন। তার ধান ক্ষেত দেখলে সত্যিই প্রাণ ভরে যায়। বাতাসে সবুজ ধানক্ষেত দোল খাওয়ার সাথে সাথে নেচে প্রাণ। জুড়িয়ে যায় নযন। তাঁর ধানক্ষেত এর মনমুগ্ধকর পরিবেশ দেখতে প্রতিদিন বিকেলে সেখানে জড়ো হয় নানা বয়সি মানুষ। একজন সৃষ্টিশীল অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন জনপ্রিয় কাউন্সিলর খান রবিউল ইসলাম টুনু জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উৎসাহিত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন অনাবাদি পড়ে থাকা এ জমি চাষাবাদের আওতায় এনেছেন। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কোথাও যেন কোন জমি অনাবাদি পড়ে না থাকে। আবাদযোগ্য শতভাগ জমি চাষের আওতায় আনতে হবে। বাড়ির উঠানে সবজি ও ফলমুলের গাছ লাগাতে হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান টুনু খান ধানক্ষেত দেখিয়ে কৃতজ্ঞতার সাথে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করে বলেন, এতো সুন্দর ধানক্ষেত দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়,প্রাণ ভরে যায়। তিনি সকলকে এভাবে অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এনে নিজের পরিবার ও দেশকে সমৃদ্ধ করার আহবান জানান। নড়াইল পৌর এলাকার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা প্রভাত তরফদার বলেন, টুনু খান’র আবাদকৃত ধানক্ষেত সত্যিই দেখার মত। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যে ক্ষেত সৃষ্টি করেছেন,আশা করি তাতে বাম্পার ফলন হবে। বুধবার (১৯ আগষ্ট) সরজমিন ধানক্ষেত দেখে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, যুগোপযোগি প্রযুক্তি কাজে লাগালে চাষাবাদে কোন লোকসান হওয়ার সম্ভবনা নাই্ টুনু খান’র মত সবাইকে এভাবে এগিয়ে আসতে হবে তা-হলে প্রতিটি পরিবারে স্বচ্ছলতা আসবে। সেই সাথে দেশ সমৃদ্ধ হবে।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •