উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী

প্রকাশিত:বুধবার, ২৭ নভে ২০১৯ ০৭:১১

উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী

গানে-আড্ডায় উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে “বন্ধু মানে আয়না” নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছে। নগরীর রিকাবীবাজারে কবি নজরুল মিলনায়তনে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে স্থিরচিত্র ও চলচ্চিত্র বিষয়ক সংগঠন কাকতাড়ুয়ার। বিকেল থেকেই সিলেটের চলচ্চিত্রপ্রেমিরা মিলনায়তনের আঙ্গিনায় জমায়েত শুরু করেন। সন্ধ্যায় মঞ্চে উঠেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ও কাকতাড়ুয়ার সদস্য ফরিদা পারভীন ইতি, বিপ্লব কুমার সরকার, ইমতিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইমরানুল কবির এবং শান্ত ইকবাল।

 

গিটার ও কাহনের তালে তালে তারা উপস্থিত দর্শকদের গান গেয়ে শুনান। একপর্যায়ে গান পরিবেশন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ঈশিতা দেব ইশন। এর ভেতরেই কাকতাড়ুয়ার কাছে পাঠানো দর্শক ও তাদের সেরা বন্ধুদের ছবি পর্দায় দেখানো হয়। সন্ধ্যা ৭টায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “বন্ধু মানে আয়না” প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনী শেষে সিনেমাটির শিল্পী, কলাকুশলী ও কাকতাড়ুয়ার সদস্যদের নিয়ে মঞ্চে উঠেন বন্ধু মানে আয়না চলচ্চিত্রের পরিচালক ফয়সাল খলিলুর রহমান।

 

এসময় তাঁর সাথে আরো ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজের সাইকিয়াট্রি বিভাগের ডক্টর রেজওয়ানা হাবীবা। তিনি উপস্থিত দর্শকদের বিভিন্ন মনঃরোগ, মানবসম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে ধারনা দেন। চলচ্চিত্রটির পরিচালক ফয়সাল খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, “বন্ধুত্ব ও মানবজীবনের সম্পর্কের জটিল সমীকরণ নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছি। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশে তেমন কোন ভালো প্ল্যাটফর্ম নেই। তাই নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে সিলেট শহরেই প্রিমিয়ারের ব্যবস্থা করেছি।”পুরো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বাচিক শিল্পী সুনন্দা দত্ত ও ময়েমবম মেমিতা। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উৎসবে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক ফয়সাল খলিলুর রহমান।

 

বন্ধু মানে আয়না চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তাসমিয়া কানিজ আহমেদ, অপিউর রহমান, ইয়ামিন ওসমান ইউহান, রেদওয়ানা তাবাসসুম বহ্নি, সাবিহা নাসরিন তৃণা, নওরিন তন্বী, মাহির চৌধুরী প্রমুখ।

 

উল্লেখ্য স্থিরচিত্র ও চলচ্চিত্র বিষয়ক সংগঠন কাকতাড়ুয়ার কমিউনিটি ডেভেলাপমেন্টে বিশেষ অবদানের জন্য সারা বাংলাদেশের সেরা সংগঠন হিসেবে জয় বাংলা ইয়থ পুরষ্কার জিতেছিলো। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি ক্যামেরার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলন করে আসছে।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •