Fri. Dec 6th, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

একদিনের ভ্রমণে বাঁশখালী

1 min read

সুন্দর একটি দিন পার করার জন্য অনেকেই চট্টগ্রামের বাঁশখালীকে বেছে নিচ্ছেন। কারণ উপজেলাটি আকর্ষণীয় পর্যটন নিদর্শনে ভরপুর। পাহাড়, সাগর, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, ঝাউবন, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু, মিনি সমুদ্রবন্দর—কি নেই এখানে! এখানকার আরেক অনিন্দ্য সুন্দর স্থান হলো বাঁশখালী ইকোপার্ক।

 

পশ্চিমের বঙ্গোপসাগরের বিস্তৃত তটরেখার ঠিক বিপরীতে, পূর্বে বিশাল পাহাড়ি অরণ্য নিয়ে গঠিত বাঁশখালী ইকোপার্ক। বর্ষা শেষেই এখানে দেখা যায় বিপুল অতিথি পাখির সমারোহ। এই পার্কে উঁচু-নিচু পাহাড়ের মাঝখানে স্বচ্ছ পানির লেক ও ঘন বনাঞ্চল, সঙ্গে অতিথি পাখির গুঞ্জন যেন প্রকৃতি প্রেমীদের দেয় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের হাতছানি।

 

বাঁশখালিতে প্রকৃতির রুপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হতেই হয়। প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর জায়াগা জুড়ে থরে থরে সাজানো বৈলগাও চা-বাগান এখানকার শত বছরের ঐতিহ্যের অংশ। ক্লোন চায়ের জন্যে এই বাগানে উৎপাদিত চায়ের কদর দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী। বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া জুড়ে অবস্থিত এই চা-বাগানের সৌন্দর্য পিয়াসী মাত্রই মুগ্ধ করে। বৈচিত্র্যময় পাহাড়ী টিলাগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হবে ‘সবুজ টুপি’ পড়ে আছে।

 

 

 

 

বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত

 

 

সকালটি চা বাগানের সবুজাভ আথিতিয়তা নিয়ে বিস্মিত হয়ে আসতে পারেন বাঁশখালীর উপকূল জুড়ে ৩৫ কিলোমিটার বিস্তৃত একটানা সমুদ্র সৈকতটি অবলোকন করে। খানখানাবাদ, কদমরসুল, কাথরিয়া, বাহারছড়া, রত্নপুর, সরল, গন্ডামারাসহ সাতটি পয়েন্ট সেজে আছে আপন রূপ মাধুর্যে। বিকেল হলে এখানে পর্যটকের ঢল নামে। ঝাউবাগানের শাঁ শাঁ দক্ষিণা হাওয়ায় সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে সারা বিকেল কাটিয়ে দিতে পারেন। বালুকাবেলায় একেঁ দিতে পারেন একটি বিকেল কাটানোর শিল্পিত চিহ্ন।

 

যেভাবে যাবেন

 

চট্টগ্রাম শহর থেকে বাঁশখালীর দূরত্ব মাত্র ৪৫ কিলোমিটার। বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় দুই ঘণ্টা। বাস ভাড়া জনপ্রতি ৫০ থেকে ৮০ টাকা। এছাড়া সিএনজিতেও যেতে পারেন। সিএনজি ভাড়া পড়বে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.