Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

একদিনের ভ্রমণে বাঁশখালী

1 min read

সুন্দর একটি দিন পার করার জন্য অনেকেই চট্টগ্রামের বাঁশখালীকে বেছে নিচ্ছেন। কারণ উপজেলাটি আকর্ষণীয় পর্যটন নিদর্শনে ভরপুর। পাহাড়, সাগর, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, ঝাউবন, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু, মিনি সমুদ্রবন্দর—কি নেই এখানে! এখানকার আরেক অনিন্দ্য সুন্দর স্থান হলো বাঁশখালী ইকোপার্ক।

 

পশ্চিমের বঙ্গোপসাগরের বিস্তৃত তটরেখার ঠিক বিপরীতে, পূর্বে বিশাল পাহাড়ি অরণ্য নিয়ে গঠিত বাঁশখালী ইকোপার্ক। বর্ষা শেষেই এখানে দেখা যায় বিপুল অতিথি পাখির সমারোহ। এই পার্কে উঁচু-নিচু পাহাড়ের মাঝখানে স্বচ্ছ পানির লেক ও ঘন বনাঞ্চল, সঙ্গে অতিথি পাখির গুঞ্জন যেন প্রকৃতি প্রেমীদের দেয় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের হাতছানি।

 

বাঁশখালিতে প্রকৃতির রুপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হতেই হয়। প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর জায়াগা জুড়ে থরে থরে সাজানো বৈলগাও চা-বাগান এখানকার শত বছরের ঐতিহ্যের অংশ। ক্লোন চায়ের জন্যে এই বাগানে উৎপাদিত চায়ের কদর দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী। বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া জুড়ে অবস্থিত এই চা-বাগানের সৌন্দর্য পিয়াসী মাত্রই মুগ্ধ করে। বৈচিত্র্যময় পাহাড়ী টিলাগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হবে ‘সবুজ টুপি’ পড়ে আছে।

 

 

 

 

বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত

 

 

সকালটি চা বাগানের সবুজাভ আথিতিয়তা নিয়ে বিস্মিত হয়ে আসতে পারেন বাঁশখালীর উপকূল জুড়ে ৩৫ কিলোমিটার বিস্তৃত একটানা সমুদ্র সৈকতটি অবলোকন করে। খানখানাবাদ, কদমরসুল, কাথরিয়া, বাহারছড়া, রত্নপুর, সরল, গন্ডামারাসহ সাতটি পয়েন্ট সেজে আছে আপন রূপ মাধুর্যে। বিকেল হলে এখানে পর্যটকের ঢল নামে। ঝাউবাগানের শাঁ শাঁ দক্ষিণা হাওয়ায় সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে সারা বিকেল কাটিয়ে দিতে পারেন। বালুকাবেলায় একেঁ দিতে পারেন একটি বিকেল কাটানোর শিল্পিত চিহ্ন।

 

যেভাবে যাবেন

 

চট্টগ্রাম শহর থেকে বাঁশখালীর দূরত্ব মাত্র ৪৫ কিলোমিটার। বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় দুই ঘণ্টা। বাস ভাড়া জনপ্রতি ৫০ থেকে ৮০ টাকা। এছাড়া সিএনজিতেও যেতে পারেন। সিএনজি ভাড়া পড়বে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA