ওরা করোনার চেয়েও ভয়াবহ

প্রকাশিত: ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০২০

ওরা করোনার চেয়েও ভয়াবহ

মাহবুবুর রশিদ :: বিশ্বব্যাপী যখন মহামারী করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত। তখন আমাদের দেশে কারো বক্স খাটের নিচ থেকে টিসিবির তেল, আবার কারো ঘরের খাটের নিচ থেকে মাটি খুঁড়ে সরকারি ত্রাণের চাল উদ্ধার করা হচ্ছে। এ যেন চুরির মহাৎসব চলছে।

অসহায় মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন কতিপয় দুষ্টচক্র। অথচ বর্তমান সরকার গরীব-দু:খী, মেহনতি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারিকেও পাত্তা দিচ্ছেন না।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কেউ যেন অভুক্ত না থাকেন। অনেকে ছোটখাটো পেশা-বৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাদের তালিকা করে তাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। কে শোনে কার কথা!
যেন চোরে শোনেনা ধর্মের কাহিনী।

এই কঠিন মুহুর্তে গরীব-অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ চুরি করতে তাদের কি একটুও হাত কাঁপে না! ওরা যেন করোনার চেয়েও ভয়াবহ।

করোনা ভাইরাসের বোধহয় কিছুটা লজ্জা আছে। কারণ এ ভাইরাস সাধারণত মানুষ ঘরে থাকলে আক্রমণ করে না। কিন্তু কিছু সংখ্যক জনপ্রতিনিধি ঘরে-বাইরে যা পায় সব লুটে-পুটে খেতে চায়। আবার কোন কোন জনপ্রতিনিধি নিজেদের কাছের লোক কিংবা মুখ দেখেই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন। কেউ আবার ত্রাণের নামে  ফটোসেশনে ব্যস্ত। এমতাবস্থায় চরম বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ, যেন তাদের সাথে তামাশা চলছে। দেশের এই কঠিন সময়ে জনগণের পাশে না দাঁড়ানো জনপ্রতিনিধিদের আইসোলেশনে (নজরদারিতে) রাখা হোক। যাতে তারা  করোনা পরবর্তী সময়ে আর জনগণের কাছে ভিড়তে না পারে। দুর্দিনে যারা জনগণের পাশে থাকে না  তারা জনপ্রতিনিধি হতে পারেনা।

আসুন আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী করোনাভাইরাসে ‘লকডাউন’ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফুটাই।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ