করোনাকালে আ.লীগ ছাড়া মানুষের পাশে কেউ ছিল না

প্রকাশিত:শনিবার, ০৩ অক্টো ২০২০ ০৬:১০

করোনাকালে আ.লীগ ছাড়া মানুষের পাশে কেউ ছিল না

নিউজ ডেস্ক:

দেশে গরিব মানুষের সেবা করা জন্য অনেক লোক ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে কিন্তু করোনাকালীন খেটে খাওয়া মানুষের পাশে সরকার ও আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কেউ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবারের (৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশে গরিব মানুষের সেবা করার অনেক লোক, অনেক রকমের প্রতিষ্ঠান, অনেক কার্যক্রম আমরা দেখি। কিন্তু করোনাকালীন তো তাদের কোনও কার্যক্রম আমরা দেখিনি। তখন সবাই ঘরে, তখন মানুষের পাশে আর কেউ নেই। মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ আছে। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন, আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য সব থেকে বেশি কাজ করে।

এই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্যই জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। সেই স্বাধীনতার সুফলটা যেন প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছায়। আমরা যেন দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারি, জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমরা মানুষের পাশে আছি, থাকবো। আমি দেশবাসীকে এইটুকু বলতে চাই যে, জনগণের সংগঠন হচ্ছে আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে এবং সেটা এবারও এই দুর্যোগ করোনা মহামারির সময় প্রমাণ হয়েছে।

এই অবস্থায় যেখানে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি কমেছে, অনেকে তো মাইনাসে চলে গেছে, তারপরও আমরা কিন্তু ৫ দশমিক ৬ এর কাছাকাছি অর্জন করতে পেরেছি। হয়তো আমরা আরও বেশি করতে পারবো। অর্থ্যাৎ একদিকে দুর্যোগ মোকাবিলা, অপরদিকে আমাদের দেশের অর্থনীতি সচল করা, মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে তাদের উন্নত জীবন দেওয়া—এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

dসরকার প্রধান বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং ভূমিহীন, যারা নিঃস্ব হয়ে গেছে তাদের সাহায্য করার জন্য আমরা বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছি। মুজিববর্ষে আমাদের ঘোষণা, গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষের আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করে দেবো। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ব্যাপকভাবে চলছে। সরকারের পক্ষ থেকেও আমরা একই কর্মসূচি নিয়েছি। বৃক্ষরোপণ করা, সুবজ বেষ্টনি করা, প্রকৃতি রক্ষা করা—সেটাও আমরা করে যাচ্ছি।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •