কানাডায় বালিকার হিজাবে ‘কাঁচি নিয়ে হামলা’, তদন্তে পুলিশ

এক ব্যক্তি শিশু এক বালিকার হিজাব কেটে ফেলার চেষ্টা করার পর ঘটনাটিকে সম্ভাব্য ‘হেট ক্রাইম’ ধরে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কানাডীয় পুলিশ।

 

১১ বছর বয়সী খাওলাহ নোমান ও তার ভাই টরেন্টোর রাস্তা দিয়ে হেঁটে স্কুলে যাচ্ছিল, এ সময় এক লোক কেচি নিয়ে খাওলাহর পেছনে আসে বলে জানিয়েছে তারা, খবর বিবিসির।

 

খাওলাহ জানিয়েছে, সে চিৎকার করলে হামলাকারি দৌঁড় দেয়, কিন্তু ফিরে এসে তার মাথায় পড়া হুড টেনে খুলে তার হিজাব কেটে দেয়।

 

হামলাকারীকে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী, পাঁচ ফুট সাত থেকে আট ইঞ্চি উচ্চতার পাতলা গড়নের এশীয় বলে বর্ণনা করেছে পুলিশ।

 

তার মাথায় ভ্রু পর্যন্ত ছাঁটা কালো চুল, মুখে পাতলা গোফ ও কালো চশমা ছিল বলে জানিয়েছে ওই ভাইবোন। তার পরনে ছিল কালো হুডওয়ালা সুয়েটার, কালো প্যান্ট ও বাদামি হাতমোজা।

 

শুক্রবার টরেন্টোর পাওলিন জনসন জুনিয়র পাবলিক স্কুলে এক সংবাদ সম্মেলন চলাকালে হামলাকারীর উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছে খাওলাহ।

 

বলেছে, “আপনি যা করছেন তা সত্যিই ভুল। এসব করা আপনার উচিত নয়, আর বিশেষভাবে আমি একজন শিশু।”

 

এখন হেঁটে স্কুলে যেতে তার ‘আতঙ্ক’ লাগছে বলে জানিয়েছেন খাওলাহ।

 

এ ঘটনার পর অনেকেই খাওলাহর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, এদের মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও রয়েছেন।

 

ট্রুডো বলেছেন, “যে শিশু বালিকাটি হামলার মুখে পড়েছে আমার হৃদয় তার সঙ্গে আছে। ধর্মের কারণেই তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সে কতোটা ভয় পেয়েছে তা কল্পনাও করতে পারছিনা আমি।

 

“আমি তাকে, তার পরিবারকে এবং তার বন্ধুদের ও তাদের সম্প্রদায়কে একথা জানাতে চাই যে কানাডা এরকম নয়।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.