কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক সুশান্ত দাশ গুপ্ত।

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০ ০৮:০৬

কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক সুশান্ত দাশ গুপ্ত।

বিশেষ প্রতিনিধি:- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের ২৯ দিন পর কারামুক্ত হলেন দৈনিক আমার হবিগঞ্জের প্রকাশক, সম্পাদক, আমার এমপির ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা সুশান্ত দাশ গুপ্ত। আজ (১৮ জুন) দুপুর ১২ টায় বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে হবিগঞ্জের দুলিয়াখাল কারাগার থেকে তার সমর্থকরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে।

এই বিষয়ে বিশিষ্ট সাংবাদিক ইকবাল হাসান ফরিদ তার ফেসবুকে লিখেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যেন আর সাংবাদিক হয়রানী না হয়, এ প্রত্যাশা রইল সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে। পাশাপাশি এও বলতে চাই, সাংবাদিকদের লেখনির কারণে যদি কারও সম্মানহানি হয়, আর সংবাদটি যদি অসত্য হয় তবে এর প্রতিকার চেয়ে মানহানি মামলা করা এবং প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ করুন।

গত (১৪ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামালের আদেশে তার জামিন হয়।

গত ২১ মে ভোরে হবিগঞ্জ শহরে চিড়াকান্দি এলাকায় দৈনিক আমার হবিগঞ্জ অফিস থেকে গ্রেফতার হন সুশান্ত।

২০ মে মধ্যরাতে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহির বাদী হয়ে সুশান্ত দাশ গুপ্ত , নির্বাহী সম্পাদক নুরুজ্জামান মানিক বার্তা সম্পাদক রায়হান উদ্দিন সুমন ও প্রতিবেদক তারেক হাবিবকে আসামি করে হবিগঞ্জ থানায়  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।

বাদীর অভিযোগ, হবিগঞ্জ সদরের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাহিরের বিরুদ্ধে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ ৪টি অসত্য সংবাদ প্রকাশ ও ফেইসবুকে আপলোড করেছেন। সাংসদ আবু জাহির প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য। তাই  সংক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এই মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত ৩ সাংবাদিক গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে।

লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, সিলেট শাহজালাল বিঞ্জান ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয় এক সময়ের তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা, ব্লগার  সুশান্ত দাশ গুপ্ত গ্রেপ্তারের হওয়ার পর দেশ বিদেশে সাংবাদিক, ব্লগারদের মধ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা ফেসবুকসহ নানা গণমাধ্যমে সুশান্তের মুক্তি দাবি করেন।

এদিকে সাংসদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক আমার হবিগঞ্জের ডিক্লারেশন বাতিলের দাবি করে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান পরিষদ সভা ও বিবৃতি প্রকাশ করায় ওই দুই সংগঠনের সভাপতি ও সম্পাদককে সাসপেন্ড করেছে সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটি। সংগঠনগুলোর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে অভিযোগে  স্থায়ীভাবে কেন তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হবে না এজন্য কারণ দর্শাতেও বলা হয়েছে।
একই অভিযোগে মানববন্ধন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট হবিগঞ্জ জেলা শাখা। জানা যায়, জোটের সাভপতির দায়িত্বে আছেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অনুরুদ্ধ ধর শান্তনু।

এই সংবাদটি 1,235 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •