কুষ্টিয়া গড়াই নদীর তীরে পরিবেশ বান্ধব পার্ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টে ২০২০ ০২:০৯

কুষ্টিয়া গড়াই নদীর তীরে পরিবেশ বান্ধব পার্ক

 

নাদিয়া ইসলাম মিম, কুষ্টিয়া ॥
কুষ্টিয়ার বড়বাজার গড়াই নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় পরিবেশবান্ধব পার্ক তৈরি করছে জেলা পরিষদ। প্রায় ২০ একর জায়গার ওপর এ পার্ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগেই। পার্কটির নাম দেয়া হয়েছে “জেলা পরিষদ পার্ক”।
ইতোমধ্যে পার্কের বাইরে এক হাজার নারিকেল গাছ লাগানো হয়েছে। ভেতরে বড় এলাকাজুড়ে লাগানো হয়েছে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতের বৃক্ষ ও ফুলের গাছ। ‘জেলা পরিষদ পার্ক’ নামে এটি তৈরির কাজ পুরো দমে চলছে। পার্ক চালু হলে এখানকার দৃষ্টিনন্দন সবুজ পরিবেশ সবার চোখ জুড়াবে। বাইরে থেকে দর্শনার্থীদের জন্যও এটি উন্মুক্ত থাকবে।
জেলা পরিষদ সূত্র জানিয়েছে, পরিবেশের কথা বিবেচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এই দৃষ্টিনন্দন পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ বড়বাজার এলাকায় গড়াই নদীর তীরে জায়গা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে বালু ভরাটের পর প্রায় ২০ একজর জায়গাজুড়ে প্রাচীর দেয়া হয়। চার বছর আগে মাহবুব-উল আলম হানিফ পার্কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করিয়ে দেন। এছাড়া জেলা পরিষদ তাদের নিজস্ব তহবিলের অর্থ দিয়েও কাজ করছে। এমপি নিজেই ঢাকার একটি ফার্ম থেকে পার্কের জন্য নকশা তৈরি করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গড়াই নদীর তীর ঘেঁষে পুরো দমে চলছে পার্কের নির্মাণকাজ। বাইরে নদীর পাড়ে লাগানো হয়েছে আমগাছ। চারপাশে রোপণ করা হয়েছে নারিকেল গাছের চারা। পার্কটির জন্য ২০ একরের বেশি জায়গা নির্ধারণ করে প্রাচীরের পাশাপাশি দুটি প্রবেশদ্বার দেয়া হয়েছে। ভেতরের নানা অংশে দৃষ্টিনন্দন গোলচত্বর তৈরি করা হয়েছে। পুরো এলাকার জন্য ভেতরে রয়েছে পাকা সড়ক। ইট-পাথরের ঢালাইয়ের গোল চত্বরে রোপণ করা হয়েছে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির বৃক্ষ ও ফুলের গাছ।
জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মেজবাহুর রহমান বলেন, পুরোদমে কাজ চলছে। ভেতরে এখনও যেসব অংশে কাজ বাকি আছে, সেখানে ঢালাইয়ের কাজ চলছে। বাইরের যে অংশে বালু ভরাট করা রয়েছে সেখানেও গাড়ি পার্কিংসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি রবিউল ইসলাম বলেন, পার্কটি মূলত উদ্যান। বাণিজ্যিক বিষয় মাথায় নিয়ে পার্ক তৈরি করা হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ছয় কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। পার্কটির কাজ শেষ হতে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে। এরপর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

এই সংবাদটি 1,228 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •