কৃষি অর্থনীতি কভিড-১৯ সংকটকালে খাদ্য নিরাপত্তা

প্রকাশিত:বুধবার, ১৩ মে ২০২০ ০৫:০৫

কৃষি অর্থনীতি কভিড-১৯ সংকটকালে খাদ্য নিরাপত্তা

আবদুল আউয়াল মিন্টু: ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে কভিড-১৯-এর প্রভাব নিয়ে বিশ্বের কেবল জনস্বাস্থ্য নিয়ে ভয়ের উদ্রেক সৃষ্টি করে। অর্থনীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে চীনের বাইরে তেমন কোনো সমস্যার উদ্ভব হয়নি। এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত এই মহামারি পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সব মানুষকেই এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এমনকি জীব-জানোয়ারকেও সমস্যায় ফেলে দিয়েছে। এই মহামারি অনন্য বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। এ ধরনের ভয়ভীতি, সংকট ও অনিশ্চয়তা আমাদের জীবদ্দশায় পৃথিবীতে কখনও দেখা যায়নি।

বহু দেশ নিজেদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এ বিধিনিষেধ অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ফলে শিল্পকারখানাতে উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি, ক্রয়-বিক্রয় ও বাণিজ্যিক লেনদেন বিঘ্নিত হচ্ছে। এসবের কিছুই তিন মাস আগেও কল্পনা করা যায়নি। বহু দেশ খাদ্যপণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বহু দেশে অভিবাসী শ্রমিকরা কর্মচ্যুত হয়ে দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় জীবন-যাপন করছে। তাদের অনেকেই অদূর ভবিষ্যতে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হবে।

এ ধরনের ভয়ভীতি, বিধিনিষেধ, অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা একেবারেই নজিরবিহীন। এই অনিশ্চয়তা পণ্য ও শেয়ারবাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। অবনমিত হচ্ছে মূলধন ও সম্পদের মূল্য। তেলের মূল্য ও চাহিদা ক্রেতার অভাবে নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বহুমাত্রিক বিধিনিষেধের ফলে মানুষের জীবনগতি একেবারেই থমকে গেছে। সামাজিক জীবন বা অর্থনীতিতে কখন আবার ‘স্বাভাবিক’ অবস্থা ফিরে আসবে, তা নিশ্চিতভাবে অনুমান করা এ মুহূর্তে প্রায় অসম্ভব। হয়তো বা জীবনের অনেক কিছুই চিরতরে বদলে যাবে।

অর্থনৈতিক স্থবিরতার ফলে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। মূলধন বাজারে ধস ও সম্পদের নিম্নমুখী মূল্যের কারণে অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন এবং ঋণ ও দায়দেনার আনুপাতিক হার বেড়ে যাবে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যাবে। অন্যদিকে বেকারত্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি দিন দিন কমে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান না থাকার কারণে অনেকেই অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অনেকে সঞ্চয়ের ওপর নির্ভর করে দিনাতিপাত করছেন। ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে পড়বে। ফলস্বরূপ, ভবিষ্যতে ঋণের পরিমাণ কমাতে বাধ্য হবে।

নিম্নমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে সরকারি রাজস্ব আয় হ্রাস পাবে। তাতে সরকার ব্যয় কমাতে বাধ্য হবে। অথচ এই সময়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নতিকল্পে খরচ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে গরিব ও কর্মহীনদের অনাহার থেকে বাঁচিয়ে রাখার ব্যবস্থা করতে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। মহামারি শেষে স্থবির অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আরও অনেক ভর্তুকি ও প্রণোদনা দিতে হবে। অর্থাৎ একদিকে আয় হবে কম, অন্যদিকে ব্যয় করতে হবে বেশি। এসবের সমাধান কীভাবে হবে, সেটা এখনও কেউ বলতে পারবে না।

প্রথমদিকে অনেকের ধারণা ছিল যে, উন্নত ও শিল্পায়িত দেশগুলো অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তুু বাস্তবতা হলো; কভিড-১৯-এর নেতিবাচক প্রভাবে প্রতিটি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সব দেশেই অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি থেমে গেছে। উন্নত দেশগুলোতে বেকারত্ব বাড়ার সঙ্গে ভোক্তাদের চাহিদা হ্রাস পাচ্ছে। ফলে যেসব দেশ রপ্তানিনির্ভর, সেসব দেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খাদ্যপণ্য, কাঁচামালসহ অনেক পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশেও পণ্যের উৎপাদনে বিদেশি কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল।

বর্তমানে বিশ্ব সরবরাহ নেটওয়ার্ক ও উৎপাদন ব্যবস্থা অনেক বেশি অংশীদারিভুক্ত। দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে বিনিয়োগ ও উৎপাদন অপরিহার্য। বিদেশের সঙ্গে লেনদেনে ভারসাম্য রক্ষার জন্য রপ্তানির প্রয়োজনীয়তা আজকাল অনেক বেড়ে গেছে। বাংলাদেশের সুতা উৎপাদনে প্রায় ৮০ শতাংশ তুলা আমদানি করতে হয়। তুলার আমদানি ব্যাহত হলে স্পিনিং মিলগুলোতে উৎপাদন কমে যাবে। সর্বোপরি রপ্তানির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। তৈরি পোশাকের বৃহদাংশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি করা হয়। ভোক্তাদের চাহিদা কমে গেলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিও কমে যাবে। ফলে অর্থনীতির সব খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যেমন রপ্তানি কমে গেলে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রার আয় কমে যাবে এবং বিদেশের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে ভারসাম্য নষ্ট হবে।

উদ্বেগজনক বিষয় হলো- গত দশক ধরে যে আন্তঃনির্ভর বিশ্ববাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, সেই ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। খাদ্য সংকট ও বিধিনিষেধের ফলে বিশ্বে সংরক্ষণ নীতির সমর্থকদের দাপট বেড়ে যাবে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এ ধরনের নীতি-আদর্শকে সামনে নিয়ে আসতে অনেক নেতা তৎপর হয়ে উঠবেন। এ ধরনের মতবাদ মুক্ত বাণিজ্য নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাতে মহামারি থেকে মুক্ত হলেও বিশ্ব বাণিজ্যে অনেক বাধা-নিষেধ থেকে যেতে পারে। এসব বাধা-নিষেধ উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতিকে মন্থর করে দেবে।

আমাদের অর্থনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খুঁটি হলো- শ্রম-রপ্তানি ও প্রবাসী শ্রমিকদের থেকে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স। মহামারির ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে জনশক্তি রপ্তানির তুলনায় দেশে ফেরত আসা শ্রমিকদের সংখ্যা বেড়ে যাবে। এটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থান, কর্মসংস্থান ও বিদেশের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ভারসাম্যের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যদি একই সঙ্গে রপ্তানি ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স থেকে আয় কমে যায়, তাহলে দেশের চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি দেখা দেবে। দেশে বেকারত্ব বহুগুণে বেড়ে যাবে। বেকারত্ব বেড়ে গেলে দিনমজুরদের আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, যা সমাজের অদক্ষ শ্রমিক ও সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। অনেকে আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাবে। এর ফলে সামনের বছরগুলোতে দরিদ্রতা হ্রাসের চেয়ে আরও বেড়ে যাবে। তা ছাড়া রেমিট্যান্স বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির একটা বৃহত্তর চালিকাশক্তি।

কভিড-১৯-এর নেতিবাচক প্রভাবে প্রতিটি দেশ অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হবে। তবে একেক দেশ একেক খাতে, একেক কারণে সমস্যায় পড়বে। অর্থাৎ শেষে সব দেশের জন্য একই ফলাফল; মোট উৎপাদন কমে যাবে। বিশেষ করে বহু দেশে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেবে। বেকারত্ব বেড়ে যাবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার মন্থর হয়ে পড়বে। দারিদ্র্য হ্রাসের পরিবর্তে বেড়ে যেতে পারে।

আইএমএফ ইতোমধ্যে পূর্বাভাস দিয়েছে যে, কভিড-১৯-এর প্রভাবে অনেক দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে যাবে। যেসব দেশ ৬ থেকে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা করেছিল, এখন বড়জোর প্রবৃদ্ধি হবে ২ থেকে ৩ শতাংশ। অনেক দেশকে খাদ্য সংকটে পড়তে হবে। বস্তুত অর্থনীতির এই সংকটময় ও মন্দীভুতকালে বর্ধিত কৃষি উৎপাদন একদিকে যেমন খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। শিল্প উৎপাদন ও সেবা খাত যখন স্থবির, তখন কৃষি খাত অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করতে পারবে। এটা একমাত্র সম্ভব সরকার যদি কৃষিপণ্যের উৎপাদনে উৎসাহ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ চেইন নিশ্চিত করতে পারে। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা ছাড়াও বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী জীবিকা নির্বাহের জন্য কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং, বর্ধিত কৃষি কার্যক্রম ও উৎপাদন একদিকে যেমন খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে, তেমনি অন্যদিকে এই সংকটময় মুহূর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।

ইতোমধ্যে বহু বৈশ্বিক সংস্থা কভিড-১৯-এর নেতিবাচক প্রভাবে ভবিষ্যতে বিশ্বে খাদ্য সংকটের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে পরামর্শ দিয়েছে; (১) কোনোভাবেই যেন বিশ্বে খাদ্য-বাণিজ্য ও চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা না হয়; (২) খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে অনতিবিলম্বে প্রান্তিক চাষিদের সর্বোত্তমভাবে সাহায্য করা হোক; (৩) ঝুঁকিতে থাকা গরিব মানুষদের খাদ্য সাহায্য দেওয়া হোক; (৪) খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে কৃষকরা যেন কোনোভাবেই কোনো প্রক্রিয়ায় বাধাগ্রস্ত না হন; (৫) এসব ব্যবস্থা নিতে হবে সাধারণ জনগণকে শারীরিক ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।

বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর হুঁশিয়ারি ও পরামর্শের সঙ্গে একমত পোষণ করে ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কৃষিমন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন। এমনকি ধান সংগ্রহে উৎসাহ জোগাতে তিনি নিজে মাঠে নেমেছেন। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রধানমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘যেন এক ইঞ্চি জমিও কোথাও অনাবাদি না থাকে।’ তা ছাড়া তিনি প্রতিনিয়তই বিভিন্ন খাতের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনার পুঁটলি ঘোষণা করে যাচ্ছেন।

এটা নিশ্চিত যে, ত্বরিৎ গতিতে হোক বা কিছুটা বিলম্বে হোক, বিশ্ব কভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে উঠবে। কিন্তু যতদিন প্রতিরোধক বা নিরাময়ের ওষুধ আবিস্কার হবে না, ততদিন এই রোগের সংক্রামক প্রতিরোধকল্পে প্রতিটি দেশ যেসব উপায় অবলম্বন করবে, তাতে অর্থনীতির ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তদোপরি খাদ্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাতে ভবিষ্যতে মহামারি নিয়ন্ত্রণে এলেও খাদ্য সমস্যা বেড়ে যাবে। অতএব সবার জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সব ঝুঁকি গ্রাহকদের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরিভিত্তিতে বহুমুখী নীতি গ্রহণ করা এবং ত্বরিৎ গতিতে সেসবের বাস্তবায়ন করা, যাতে যথাসময়ে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন করা যায়।

খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের ব্যবস্থা করতে বাংলাদেশের বীজশিল্প কৃষকদের পাশে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড়িয়েছে। খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে বীজশিল্প মৌলিক ও মূল ভূমিকা পালন করে। কভিড-১৯-এর প্রভাবে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে বীজশিল্পের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হলেও এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তি দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের চাহিদামতো বীজ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান ও উপকরণের সরবরাহ চলমান রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সব ঝুঁকিগ্রাহকের সমন্বিত প্রচেষ্টায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

(বাকি অংশ আগামীকাল)

কৃষি অর্থনীতিবিদ; সভাপতি বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশন, সাবেক সভাপতি এফবিসিসিআই

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •