কোরআনের ভাষায় মানুষের বর্ণনা

আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান, আর মানুষ দুর্বলভাবে সৃজিত হয়েছে। (সূরা নিসা : ২৮)।
আর অবশ্যই যদি আমি মানুষকে আমার রহমতের আস্বাদ গ্রহণ করতে দিই অতঃপর তা তার থেকে ছিনিয়ে নিই তাহলে সে হয় হতাশ, অকৃতজ্ঞ। (সূরা হুদ : ৯)।
আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করো তবে তা গুনে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ মারাত্মক জালেম, অকৃতজ্ঞ। (সূরা ইবরাহিম : ৩৪)।
আর মানুষ অকল্যাণ কামনা করে থাকে যেভাবে সে কল্যাণ কামনা করে, আর মানুষ তো খুবই তাড়াহুড়াপ্রিয়। (সূরা বনি ইসরাইল : ১১)।
আর মানুষ তো অতিশয় কৃপণ। (সূরা বনি ইসরাইল : ১০০)।
আর মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক তর্কপ্রিয়। (সূরা কাহাফ : ৫৪)।
সৃষ্টিগতভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ। আমি সত্বরই তোমাদের আমার নিদর্শনাবলি দেখাব, অতএব আমাকে তাড়াহুড়া করতে বলো না। (সূরা আম্বিয়া : ৩৭)।
নিশ্চয় আমি আকাশ-পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এ আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হলো; কিন্তু মানুষ তা বহন করল । নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ। (সূরা আহজাব : ৭২)।
মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি বীর্য থেকে অতঃপর তখনই সে হয়ে গেল প্রকাশ্য বাগ্বিত-াকারী। (সূরা ইয়াসিন : ৭৭)।
মানুষ উন্নতি কামনায় ক্লান্ত হয় না অথচ যখন তাকে অমঙ্গল স্পর্শ করে তখন সে সম্পূর্ণরূপে হতাশ ও নিরাশ হয়ে পড়ে। (সূরা হা-মিম আস-সাজদাহ : ৪৯)।
তারা তার বান্দাদের থেকে তার অংশ সাব্যস্ত করেছে। নিশ্চয় মানুষ স্পষ্ট অকৃতজ্ঞ। (সূরা জুখরুফ : ১৫)।
মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে। যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে তখন সে হা-হুতাশ করে আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয় তখন কৃপণ হয়ে যায়। (সূরা আল-মাআরিজ : ১৯-২১)।
বরং মানুষ তার ভবিষ্যৎ জীবনেও পাপাচার করতে চায়। সে প্রশ্ন করে কেয়ামত দিবস কবে। (সূরা কিয়ামাহ : ৫-৬)।
মানুষ ধ্বংস হোক, সে কতই না অকৃতজ্ঞ। (সূরা আবাসা : ১৭)।
হে মানুষ কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল? যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন। তিনি তোমাকে তার ইচ্ছামতো আকৃতিতে গঠন করেছেন। (সূরা ইনফিতার : ৬-৮)।
হে মানুষ তোমাকে তোমার পালনকর্তা পর্যন্ত পৌঁছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে। অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে। (সূরা ইনশিকাক : ৬)।
মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন অতঃপর তাকে সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন তখন বলে আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন। এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন অতঃপর রিজিক সংকুচিত করে দেন তখন বলে আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন। (সূরা আল-ফাজর : ১৫-১৬)।
নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি। (সূরা বালাদ : ৪)।
কখনও না, নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে, কারণ সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে। (সূরা আলাক : ৬-৭)।
অবশ্যই মানুষ তার রবের প্রতি অকৃতজ্ঞ। এবং নিশ্চয় সে নিজেই এ বিষয়ের সাক্ষী। এবং অবশ্যই সে ধন-সম্পদের প্রতি প্রবল আসক্ত। (সূরা আদিয়াত : ৬-৮)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *