গোপালগঞ্জে ঘন কুয়াশায় জন জীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশিত:বুধবার, ১৫ জানু ২০২০ ০৮:০১

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ঘন কুয়াশার কারনে শ্রমজীবী মানুষের খুব ভোগান্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শীতের সকালে গ্রাম এলাকায় ১০ হাত দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আর শহরের রাস্তাঘাটেও একই অবস্থা। সূর্য না ওঠা পর্যন্ত মানুষের চলাচলে স্বাভাবীকতা ফিরছে না। এদিকে, জেলার সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রী রেকর্ড করেছে গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিস। জেলা প্রশাসনের উদোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে ৪২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধকার সকালে থেকে সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় শীতে কষ্ট পাচ্ছে ছিন্নমূল, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষরা। কাজে বের না হতে পাড়ায় ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে তাপ নিচ্ছেন তারা। স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা টুপি, মাপলার ও চাঁদর মুড়ি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। কৃষকরা জমিতে নামতে পারেনি। এদিকে, বুধবার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিস। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বনগ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী খান বলেন, ঘন কুয়াশার করনে দুপুর ১২টাও সূর্যের মুখ দেখা যায় নি। ফলে ছিন্নমূল ও গবীর মানুষেরা কষ্ট পাচ্ছে। কুয়াশার পানি বৃষ্টির ফোটার মনে ঝরে ঝরে পড়ছে।

গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, আজ ভোর ৬টা পয্যন্ত জেলার সর্বনি¤œ তাপমাত্র ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামী কাল থেকে তাপমাত্রা কমা শুরু করবে।

গোপালগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ব্রহ্ম জানান, ঘন কুয়াশার কারনে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের কষ্ট একটু হচ্ছে। কুয়াশা না কাটা পর্যন্ত কৃষকরা জমিতে নামছে না। তাঁরা দেরী করে জমিতে যাচ্ছে। তবে এই কারনে চাষাবাদে তেমন কোন প্রভাব ফেলছেনা। কৃষকদের বীজতলা ও চাষযোগ্য জমিতে পানি ভরে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে শীতার্ত মানুষের মাঝে ৪২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ১২ লাখ টাকার অনুদান শীতার্তদের মাঝে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •