গোয়ালন্দ ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার, ২৭ জুলা ২০২০ ১১:০৭

গোয়ালন্দ ট্রেন চলাচল বন্ধ

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) :
গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করায় গোয়ালন্দ বাজার ও গোয়ালন্দ ঘাট (দৌলতদিয়া) স্টেশনের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় রেল লাইন পানিতে তলিয়ে গেছে। এ কারণে রবিবার থেকে এ দুই স্টেশনের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে করে ঈদের আগে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া হতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল গামী ট্রেন যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড গোয়ালন্দ উপজেলার গেজ রিডার ইদ্রিস আলী জানান, পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে সোমবার বেলা ৩টা পর্যন্ত বিপদসীমার ১১৯ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ কারণে উপজেলার বেশীর ভাগ এলাকা এখন বন্যার পানিতে প্লাবিত। তিনি আরো জানান, সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘন্টায় পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পায় ৩ সেমি। সকাল ৬টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় আরো ১ সেমি। পানি বৃদ্ধির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে ইতিমধ্যে গোয়ালন্দ উপজেলার বেশীর ভাগ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দী হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে হাজার হাজার পরিবার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন জায়গায় রেল লাইন পানিতে তলিয়ে গিয়ে ট্রেন চলাচল ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় ২৬শে জুলাই রবিবার দুপুর থেকে গোয়ালন্দ বাজার স্টেশন থেকে গোয়ালন্দ ঘাট স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজশাহী ও খুলনা থেকে আসা আন্তঃনগর মেইল ও শাটল ট্রেনগুলো গোয়ালন্দ বাজার স্টেশন পর্যন্ত এসে ঘুরে যাচ্ছে। ঢাকামুখী যাত্রীরা গোয়ালন্দ বাজার স্টেশন থেকে রিক্সা-অটোরিক্সা যোগে নদী পারি দেয়ার জন্য দৌলতদিয়া ঘাটে পৌছাচ্ছেন। অপর দিকে ঢাকা থেকে আসা ঈদে ঘরমুখো ট্রেন যাত্রীরা একই ভাবে ৬কিমি দুরে গোয়ালন্দ বাজার স্টেশনে আসছেন। এতে করে যাত্রীদের বাড়তি ভাড়ার সাথে নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
গোয়ালন্দ ঘাট রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আব্দুল জলিল জানান, রেল লাইনের কয়েকটি স্থান পানিতে ডুবে যাওয়ায় গোয়ালন্দ বাজার-গোয়ালন্দ ঘাট (দৌলতদিয়া) স্টেশনের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমলে লাইন মেরামত করে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

এই সংবাদটি 1,228 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •