চর্মরোগ চিকিৎসায় অগ্রগতি হয়েছে

বাংলাদেশে চর্মরোগের চিকিৎসায় যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তবে অপচিকিৎসা, অবৈজ্ঞানিক ওষুধ সেবন বা গ্রহণের কারণে রোগীর যেমন ক্ষতি হয়, তেমন রোগীর শরীরে ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস পায়।

ফলে রোগ নিরাময় কঠিন হয়ে পড়ে। রোববার দুপুর ১২টায় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী লাউঞ্জে চর্মরোগ বিষয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে চর্ম বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বিএসএমএমইউ’র প্রোভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী একেএম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিক্যাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক একিউএম সেরাজুল ইসলাম। সেমিনারে যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশে চর্মরোগের ক্ষেত্রে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক সাফল্য অর্জন ইতিমধ্যেই সম্ভব হয়েছে।

তবে সোরিয়াসিস, লেপরোসিসসহ (কুষ্ঠরোগ) অন্যান্য জীবাণুবাহিত চর্মরোগের যথার্থ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। এ জন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের নিরন্তর গবেষণা ও চিকিৎসাসেবায় মনোনিবেশ প্রয়োজন। তারা রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে আরও বেশি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বারোপ করেন।

বৈজ্ঞানিক সেশনে বাংলাদেশের রোগীদের মধ্যে সোরিয়াসিস বিষয়ক গবেষণার ফলাফল, কুষ্ঠরোগের জটিলতা ও চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা, ছত্রাক জাতীয় চর্মরোগের চিকিৎসা ইত্যাদি তুলে ধরা হয়। সোরিয়াসিস রোগের প্রবণতাবিষয়ক গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, দেশের প্রতি এক হাজার জনে সাতজনের এই রোগের প্রবণতা রয়েছে।

ছত্রাকজাতীয় চর্মরোগের চিকিৎসা, লেজারের মাধ্যমে চিকিৎসা ও কসমেটিক সার্জারির ক্ষেত্রে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের আরও সচেতন ও সতর্ক হতে হবে এবং রোগীদের যৌক্তিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। রোগীকে আরও সচেতন হতে হবে।