চলনবিল বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

প্রকাশিত:শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০ ০১:০৬

চলনবিল বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

চাটমোহর (পাবনা) :
মাছের পোনা দেশের সোনা, এ কথাটি প্রবাদ বাক্যেই রয়ে গেছে। বাস্তবে এর কোন মিল নেই, নেই প্রণীত এই আইনের কোন কার্যকারিতা। সরকার কারেন্ট জাল উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লি¬ষ্ট ব্যক্তি বাজারজাত ক্রয় ও ব্যবহার কারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে মাছের আকাল থেকে দেশ কিছুটা হলেও রক্ষা পেত। মাছের পোনা নির্বিচারে ধ্বংস করে চলছে এক শ্রেণীর অর্থলোভী অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা। পোনা মাছ ধরার বিরুদ্ধে রেডিও টিভিসহ সংবাদপত্রে প্রচারণা চালিয়ে সরকার যে অর্থ ব্যয় করছে তাতে অরণ্যে রোদন ছাড়া আর কিছু নয়।
অবৈধ ভাবে উৎপাদিত কারেন্ট জালে ধরা পড়ছে ছোট ছোট সকল প্রকার মাছ। ফলে জাল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ও চলছে রমরমা। প্রকাশ্যে দিবালকে কারেন্ট জাল বিক্রয় হওয়ার পরও মৎস্য অধিদপ্তর গুলো রয়েছে নিশ্চুপ। তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। বিশেষ করে চলনবিল অঞ্চলের অধ্যুষিত ৯টি উপজেলার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, তাড়াশ, বড়াইগ্রাম পৌরসদরসহ বিভিন্ন হাট বাজারে ফ্রি স্টাইলে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ কারেন্ট জাল। সরকার ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বা তদু পেক্ষা কম ব্যস বা দৈর্ঘ্যওে ফাঁস জালের (কারেন্ট জাল) নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেও তা কোন কাজে আসছে না।
নিয়ম অনুযায়ী এ আইন অমান্যকারীকে ৫’শ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার ঘোষনা রয়েছে। কিন্তু এ সকল আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারীরা অবাধে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে শিকার করছে পোনা মাছ। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে চাটমোহরসহ বৃহত্তম চলনবিল অঞ্চলের অনেক মিঠা পানির মাছ।
এব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, দেশের একটি বৃহৎ বিল এটি। বিলের সকল উপজেলার মৎস্য বিভাগ থেকে সমন্বিত ভাবে উদ্যোগ নিলে নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব। এ সকল অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী এবং ব্যবহার কারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লি¬ষ্ট বিভাগের উর্ধস্তন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি 1,234 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •