চাল ও গম আমদানি বেড়েছে ২১২ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ব্যাংকগুলোতে চাল ও গম আমদানির জন্য ২৪৪ কোটি ডলারের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। যা গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১২ শতাংশ বেশি।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি করা হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য চার হাজার ২৩ কোটি টাকার এলসি খোলা হয়েছে। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বেশি।

 

 

 

গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দুই হাজার ৩০২ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। আলোচিত সময়ে চাল ও গম আমদানিতে ২৪৪ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১২ শতাংশ বেশি। ৩২৯ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে। আগের অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এসব পণ্য আমদানিতে ব্যাংকগুলোতে ২৪৪ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১৬১ কোটি ডলার ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে ৯২৭ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে।

 

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রচুর মালামাল আমদানি হচ্ছে। গত নভেম্বরে বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি কমিশন বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে সোনালী ব্যাংকে ১১৩ কোটি ডলারের এলসি খুলেছে। এছাড়াও পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে এলসি খুলেছেন সংশ্নিষ্টরা।

 

এ দিকে খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি খাতে চাল ও গম মিলিয়ে ৭০ লাখ টন খাদ্যশস্য আমদানির এলসি খোলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.