Thu. Aug 22nd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মানবতার কল্যাণে অবদানের জন্যে ‘বামানা’ এওয়ার্ড পেলেন ড. হালিদা

1 min read

নিউইয়র্ক : চিকিৎসা বিজ্ঞানে ও মানবতার কল্যাণে অসাধারণ অবদানের জন্যে ড. হালিদা হানুম আকতারকে এওয়ার্ড প্রদান করলো ‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা’ (বামানা)। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ড. হালিদাকে জাতিসংঘ জনসংখ্যা এওয়ার্ডে ভ’ষিত করা হয় বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে অবদানের জন্যে। ওয়াশিংটন মেট্র এলাকায় বসবাসরত ড. হালিদা কর্মজীবনে সবসময় সচেষ্ট রয়েছেন নারী ক্ষমতায়নে। রংপুরে তার প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এনজিও ‘সোসাইটি ফর হেল্্থ প্রমোশন লিঙ্ক’ থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে গ্রামাঞ্চলের উদ্যমী ১৫০ জন নারীকে মাতৃসদনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। আর এভাবেই পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠির নারীরা আধুণিক চিকিৎসা-ব্যবসার পরশ যাচ্ছে।

 

 

মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটিতে জেনারেল মটর্সের সদর দফতরে রেনেসাঁ ভবনে ৭ জুলাই পর্যন্ত ৩দিনব্যাপী কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী চিকিৎসকদের এই সম্মেলনে একইসাথে ড. এ এফ এম জিয়াউল হককেও বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ‘আজীবন সম্মাননা’ পুরষ্কার দেয়া হয় ড. ধীরাজ শাহকে। ৫ শতাধিক চিকিৎসক সপরিবারে অংশগ্রহন করেন এ সম্মেলনে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরই এ সময়ে বামানার সম্মেলন হয় বিভিন্ন স্থানে। গত বছর হয়েছে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ঐতিহাসিক নিউ অরলিন্স শহরে। তার আগের বছর ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো এবং ২০১৬ সালে হয়েছে জর্জিয়ার আটলান্টায়। আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পিকনিক, মেডিকেল এডুকেশন এবং নতুন কার্যকরী কমিটির নির্বাচন! সব মিলে হই হই রই রই করে কেটে যায় তিনটা দিন। তবে সবকিছুর সংস্পর্শে ধ্বনিত হয় প্রিয় মাতৃভ’মি বাংলাদেশ ও তার কল্যাণের সংকল্প।

 

বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বামানার ১৩টি চ্যাপ্টার রয়েছে। মেম্বার সংখ্যা প্রায় ৮০০! সবচেয়ে বড় চ্যাপ্টার নিউইয়র্কে। তারপরই ফ্লোরিডা, মিশিগান ও ক্যালিফোর্নিয়া। এবারের সম্মেলনে অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। উৎসবমুখর পরিবেশে বামানার নির্বাচনে সভাপতি হন ড. জিয়াউর রহমান। প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) হয়েছেন জামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি ফজলুল ইউসুফ, ট্রেজারার বশির আহমেদ, সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি ইউসুফ আল মামুন, ইয়ং ফিজিশিয়ান সেক্রেটারি আদিবা গীতি, মেম্বার অ্যাট লার্জ মুজিবর রহমান মজুমদার, ফেরদৌস শিল্পী, ও আহমেদ মোরশেদ।

 

উদ্বোধনী রাতে মিশিগানের ডাক্তার পরিবারের সদস্যদের প্রানবন্ত অংশগ্রহণে পুরো সম্মেলন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠে। এ সময় মা চিনু মৃধা ও মেয়ে আমিতা মৃধার দেশের গানের সাথে দৈতনৃত্য সকলের দৃষ্টি কাড়ে। এছাড়া স্থানীয় শিল্পী জিন্নাহ খানের গানও সকলকে আপ্লুত করে।

গমাপনী দিবসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল বেশ জমজমাট। নৈশভোজের পর গানের মূর্চ্ছনায় সবাইকে মাতিয়ে তোলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলস ও কন্ঠশিল্পী বেবি নাজনিন। সামনের বছরের ৪০তম সম্মেলন টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ডালাস নগরীতে আয়োজনের ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই সম্মেলন তথা বাংলাদেশি ডাক্তারদের মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটে।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA