চুলের আগা ফাটা রোধ করতে

চুল দুর্বল হলে আগা ফাটা সমস্যা হয়। এজন্য আগা ছাঁটা ছাড়াও রয়েছে কয়েকটি সমাধান।

 

রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইটে আগা ফাটা চুল পরির্যার পন্থা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে আমাদের এই আয়োজন।

 

চুলের আগা ফাটা আসলে কী? চুলের নিচের অংশ ফেটে যাওয়াকে আগা ফাটা বলে। অতিরিক্ত শুষ্ক, ভঙ্গুর এবং নিচের অংশ বেশি ঘষা খেলে চুলে আগা ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ, ব্লোড্রাই, স্ট্রেইট বা কোঁকড়া করা হলে আগা ফাটা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

সম্প্রতি চুল কেটে থাকলে কয়েকটি বিষয় মাথা রাখুন। এগুলো চুলের আগা ফাটা থেকে রক্ষা করবে।

 

আঁচড়ানো: জট ছাড়াতে ভেজা চুল মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে নিচ থেকে আঁচড়ানো শুরু করুন। এরপর ধীরে ধীরে উপরের দিকে আঁচড়ান। এটা চুলে জট লাগা কমায়। খেয়াল রাখবেন, জট ছাড়ানোর সময় চুলে বেশি চাপ না পড়ে। এতে চুল ভেঙে বা ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই চুল কয়েক ভাগে ভাগ করে তারপরে আঁচড়ান।

 

চুলে ডিপ কন্ডিশনিং করা

 

১৮০ ডিগ্রির উপরে তাপ প্রয়োগ করে চুলে কোনো যন্ত্র ব্যবহার করা ঠিক না। কারণ এটা চুল গঠনের প্রোটিন ‘কেরাটিন’ নষ্ট করে। চুল কেবল এই নির্দিষ্ট মাত্রা আগ পর্যন্ত তাপ নিতে পারে। এর বেশি হলে তা চুলের কিউটিকল নষ্ট করে ফেলে এবং কেরাটিন কমে যায়।

 

এরমধ্যে চুলের ক্ষতি হয়ে থাকলে যা করণীয়

 

চুলের ফাটা অংশ কেটে নিন। আগাফাটা চুল কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল আগা ছাঁটা। তবে  চুলকে আরেক ভাবেও রক্ষা করা যায়। তা হল কেরাটিন পুনরুদ্ধার করা। ‘কেরাটিন ট্রিটমেন্ট’ চুলের সমস্যা ঠিক করতে সাহায্য করে।

 

চুল কাটতে যদি খুব বেশি আপত্তি থাকে তাহলে স্যালুনে গিয়ে মিনি-ট্রিম করাতে পারেন। এতে চুল খুব বেশি কাটতে হবে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *