জামায়াতে ইসলামী পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক সন্ত্রাসী সংগঠন : ক্যাপিটলহিলের আলোচনা সভায় বক্তারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২১ নভে ২০১৯ ১২:১১

জামায়াতে ইসলামী পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক সন্ত্রাসী সংগঠন : ক্যাপিটলহিলের আলোচনা সভায় বক্তারা

দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়, ওয়াশিংটন ডিসি: জামায়াতে ইসলামী: এ থ্রেট এট হোম এন্ড এব্রড – এই প্রতিপাদ্যের উপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল হিলের কংগ্রেসনাল সভারুমে এক আলোচনা সভা ১৩ নভেম্বর বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। মিডল ইস্ট ফোরাম এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্টেটের কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস। সভায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন লিবার্টি সাউথ এশিয়ার পরিচালক সেথ ওল্ডমিক্সন, ইসলামীস্ট ওয়াচ পরিচালক স্যাম ওয়েস্টথ্রপ, রিসার্চ ইনভেস্টিক্যাটিভ প্রজেক্ট অন ট্যারোরিজম পরিচালক আভা শঙ্কর, ও সাউথ এশিয়ান মাইনরিটি এলায়েন্স ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান নাদিম নুজহাত ।

 

সভায় বক্তারা বলেন জামায়াতে ইসলামী পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক সন্ত্রাসী সংগঠন। দলটি যখন যে দেশে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে তখন ভিন্ন নামে সংগঠন পরিচালনা করে। বর্তমানে এই দলটির দক্ষিণ এশিয়ার ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে জোরালো ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। ভারতের কাশ্মিরে এই সংঘটনটি দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। পাকিস্তানে তারা লস্কর-ই-তৈয়বার সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করছে এই জামাতে ইসলামী নামক সন্ত্রাসী ষোঘটনটি।

 

বক্তারা আরো বলেন, মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের অপর নাম জামায়াতে ইসলাম। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সংগঠনের নাম আই সি এন এ অর্থাৎ ইসলামী সার্কেল অফিস নর্থ আমেরিকা ও মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা (মুনা) । বর্তমানে এই সংগঠনগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডোনেশন সংগ্রহ করে সাউথ এশিয়ায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লীপ্ত রয়েছে।

 

কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস বলেন, হাউজে তিনি এব্যাপারে কঠোর ভাবে সতর্ক থাকতে বলেন এবং এধরনের সংগঠনের উপর কড়া নজরদারি রাখার জন্য অনুরোধ জানান। রিসার্চ ইনভেস্টিক্যাটিভ প্রজেক্ট অন ট্যারোরিজম পরিচালক আভা শঙ্কর বলেন, ১৯৭৭ সালে নিউইয়র্ক কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি তে জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীকে ইকনার সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

প্যানেল আলোচনার পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আরাফাত জানতে চান কিভাবে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে এব্যাপারে অব্যাহত ভাবে চাপ দেয়া যায়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি দুতাবাস এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টে জামাতে ইসলামীর পছন্দের লোকদের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দুতাবাস উপ প্রধান মাহমুব হাসান সালেহ, মেট্রো ওোয়াশিংটন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড: খন্দকার মনসুর, যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়, যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর এডভোকেট অমর ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক দস্তগীর জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •