টরন্টোয় আটটি সংগঠনের সমম্বয়ে এবিসির আত্বপ্রকাশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৭ মে ২০১৯ ০৩:০৫

টরন্টোয় আটটি সংগঠনের সমম্বয়ে এবিসির আত্বপ্রকাশ

বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের সহায়তাকারী টরন্টোর বেসরকারী আটটি সংগঠনের একতাবদ্ধের মাধ্যমে এলায়েন্স ফর বাংলাদেশি-কানাডিয়ান কমিউনিটি (এবিসি) নামক একটি সংগঠনের আত্বপ্রকাশ ঘটেছে। ৪ মে টরন্টোর ডেনফোর্থ এভিনিউর এক্সেস পয়েন্টে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে মাধ্যমে সংগঠনগুলো জোটবদ্ধভাবে কাজ করার অভিমত প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের ২০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

 

কানাডিয়ান সেন্টারের প্রেসিডেন্ট ইমাম উদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন বেসরকারি সরকারি সংগঠন পেসের নির্বাহী পরিচালক ইমামুল হক। অনুষ্ঠানে শুরুতে কমিউনিটি পার্টনারশিপ সংক্রান্ত একটি গবেষণা তথ্য উপস্থাপন করেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ রীনা সেন গুপ্তা ও আইনজীবী নুসরাত জাহান। তাঁরা গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে বলেন, কানাডায় বিভিন্ন কমিউনিটির লোকদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন এলায়েন্স থাকলেও টরন্টোয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সংগঠনগুলোর মধ্যে কার্যকর তেমন কোনো জোট নেই। এর ফলে শুধু কমিউনিটির উন্নয়নই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না সংগঠনগুলোও তাদের কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়ছে। একই কাজের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে। এতে সেবাগ্রহীতারাও বঞ্চিত হচ্ছে প্রাপ্ত সেবা থেকে। তাঁরা বলেন, টরন্টোয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সংগঠনগুলো একসাথে কাজ করলে তথ্য আদান-প্রদান, পারস্পরিক আস্থা ও সংগঠনগুলোর ক্যাপাসিটিও অনেক বাড়বে। একই সাথে সম্পদের সুষম ব্যবহার হবে।

 

জোটবদ্ধ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বায়েসের চেয়ারপারসন গোলাম মোস্তফা, স্বস্তির নাদিরা তাবাচ্ছুম, দিশারির লুৎফুল করিম, টাইম টু টকের ডায়ানা সু, থিয়েটার ফল্কের সবিতা সোয়ানি, কানাডিয়ান সেন্টারের শোয়েব আহমেদ, পেসের গুলাম হিলালী, সাংবাদিক পারভেজ চৌধুরী প্রমুখ। এবিসি’র মিশনে বলা হয়, আমরা কমিউনিটির মধ্যে সম্পৃক্ততা, সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বকে অনুপ্রাণিত করতে চাই। য়েখানে বেসরকারি সংগঠনগুলো তথ্য বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে, গবেষণা করবে এবং কমিউনিটির ভয়েস হিসেবে কাজ করবে।

 

জোটবদ্ধ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, এবিসি’র দুই ধরনের সদস্য পদ থাকবে, যথাক্রমে সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত। আগ্রহীরা নির্দিষ্ঠ ফরম পুরন করে সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে আগামী একবছরের কর্ম পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়, যাতে সাংগঠনিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করা, কমিউনিটি কনসালটেশন, গবেষণা, কমিউনিটি রিসোর্সেস ওয়েবসাইট তৈরি উল্লেখযোগ্য।

 

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •