Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

ডেইলি শপিং-এ মিলছে বিশালাকৃতির আইড় মাছ

1 min read

ফল, শাকসবজি, মাছ, মাংসসহ দেশি পণ্যের সমাহার যেমন আছে, তেমনি আছে বিদেশি চকলেট, চিপস, স্ন্যাকস, জুস, ফ্রোজেন ফুড, পার্সোনাল কেয়ার আইটেম। আছে ঘর সাজানোর পণ্য। রান্না থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশন পর্যন্ত ছোট-বড় প্রায় সব রকমের রান্নার অনুষঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে রাজধানীর রিটেইল চেইন শপ ডেইলি শপিং-এ।

 

যেন এক ছাদের নিচেই সবকিছু। হাতের নাগালে আউটলেট হিসেবে ইতোমধ্যে ডেইলি শপিং নগরবাসীর আস্থা অর্জন করেছে। গ্রোসারি পণ্য, কাঁচাবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তারা পৌঁছে দিচ্ছে ভোক্তার দোরগোড়ায়।

 

সম্প্রতি বিশালাকৃতির একটি আইড় মাছ বিক্রি হয়েছে ‘ডেইলি শপিং’র কাঁঠালবাগান আউটলেটে। সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, মাছটি ধরা হয় মেঘনা নদী থেকে, যার ওজন প্রায় ৯২ কেজি।

 

 

 

 

 

ভবিষ্যতে এ ধরনের বিশালাকৃতির মাছ ভোক্তাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নিজেদের সংগ্রহে রাখবে বলে জানান ডেইলি শপিং-এর জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) গালিব ফাররোখ বখত্। তিনি আরও বলেন, ভোক্তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আগে থেকেই এ ধরনের বড় মাছের অর্ডার দিতে পারবেন।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৪ সালে মধ্যবাড্ডায় ডেইলি শপিং-এর প্রথম আউটলেটের যাত্রা শুরু। এখন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা, খিলক্ষেত, বাসাবো, বাড্ডা, বনশ্রী, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ফরিদাবাদ, লালবাগসহ নগরের বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি আউটলেট রয়েছে। এসব আউটলেটে প্রায় তিন হাজার ৮০০টি পণ্য পাওয়া যাচ্ছে।

 

ডেইলি শপিং-এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার ফারাজ হোসেন রুম্মান বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো ভোক্তার ঘরের দুয়ারে পৌঁছে দেয়াই ডেইলি শপিং-এর মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি নিত্যনতুন পণ্যের সমাহার ঘটিয়ে ভোক্তাদের আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। এমন একটি উদ্যোগ হলো নদী থেকে সরাসরি সংগৃহীত ও টাটকা বিশালাকৃতির মাছ। সম্প্রতি বিশালাকৃতির ওই আইড় মাছটি ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এমন মাছ আরও বেশি করে আমাদের সংগ্রহে রাখার চেষ্টা চলছে।

 

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA