তারেক রহমানকে উন্মুক্ত হতে হবে সোস্যাল মিডিয়ায়

রাকেশ রহমান:

আসলে রাজনীতি আমি কেন করব, কি কাজ করার জন্য আমার রাজনীতি করার প্রয়োজন??? আমি বা আমরা কেন রাজনীতি করি ?আমরা তার কারন নিজেরাই বলতে পারি না বা বুঝি না।
রাজনীতি এক কথায় আমরা করি বা করতে চাই প্রথমত অর্থ উপার্জনের জন্য দ্বিতীয়ত নিজের বাহুবলের জন্য।
বাংলাদেশের পেক্ষাপটে এটা চিরন্তন সত্য একটা কথা।
আমি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি বিধায় আমার রক্তে রাজনীতির পোকা রয়েছে।
আমার পরিবারের অনেকেই বাংলাদেশের গন্ডী পেরিয়ে আজ ব্রিটিশ রাজনীতির কূর্টনীতির সাথেও রয়েছে।
এটা পরিবারের একটি প্রভাব।
আমি বাংলাদেশের প্রতি বেশি দূর্বল তাই কথিত জঘন্য রাজনীতিতে আমার জীবনের মূল্যবান সময় অতিবাহিত করছি।
আমি আমার পরিবারের পরিচয়ে নই,আমার নিজ কর্মে আজ বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক মহলে সুপরিচিত।
আমি খুব সহজ সরল পথে বিশ্বাসী কিন্তু কঠিন ও বাঁকা পথগুলো আমার অপরিচিত নয়।
খুব ভালোলাগে যখন দেখি তরুনরা রাজনীতির জন্য তাদের মূল্যবান সময় দিচ্ছে।
আবার খারাপ লোকের আনা গোনা দেখলে মন মেজাজ দুটোই খারাপ হয়।
আমি রাজনীতিকে দাবার খেলার মতন করে মনে করি ।
প্রবাসে মানুষের দেশ প্রেমে দেখে আমি মুগ্ধ হই,
আর কিছু লোকের লোভ ও কার্যক্রম আমি বিরক্ত ও ঘৃন্যা করি।
রাজনীতিতে নূন্যতম সতত্যা ও দেশপ্রেম ছাড়া যারা আছেন তাদের আমি পশু মনে করি।
রাজনীতিতে জবাবদিহীতা অত্যাবশ্যক। জবাবদিহী মুলক রাজনীতিতে নেতা,কর্মীদের অবস্খান পরিষ্কার থাকে।
শুধু অনুষ্ঠানের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকান্ড সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৈরি করতে হবে দল থেকে এবং সেই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছড়িয়ে পরবে সমাজ থেকে নগর ও নগর থেকে রাষ্ট্রে।
এই কাজগুলো করেই বাংলাদেশে বিখ্যাত হয়েছিলেন মেজর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। মেজর জিয়া দল গঠনের পর থেকে কর্মী যাচাই শুরু করে দিয়েছিলেন এবং সফলও হয়েছিলেন।
মেজর জিয়াই নেতা নেত্রী বাছাই করে তৈরি করতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ব জনপ্রিয় দল বিএনপিকে।
মেজর জিয়ার জনপ্রিয়তাই বিএনপি এখনও টিকে রয়েছে।
বিএনপিতে এখন সেই উদ্দেগ্য নেই বললেই চলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান অনেক কিছু চেলেও আশেপাশের চাটুকার রা তা করতে দেন না।
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে যেমন নেতৃত্ব দেন, তেমনি দেশের উন্নয়ন, উৎপাদনে, সমৃদ্ধের কাজ করেছেন অসীম সাহসীকতার সাথে।তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশের মানুষকে সম্মানের সাথে বাঁচার স্বপ্নে উজ্জীবিত করেন জিয়াউর রহমান।
উৎপাদন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা ঘটে। বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে ভিখারীর হাত হয়ে ওঠে কর্মীর হাতিয়ার। পাল্টে যেতে থাকে দেশের চেহারা ও দৃশ্যপট। বিশ্ববাসী দেখলো এক নতুন কর্মযজ্ঞের বাংলাদেশ, উন্নয়নের দিকে দ্রুত ধাবমান। ’৭৪-এর দুর্ভিক্ষে বিধ্বস্ত বাংলাদেশে যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে জীবন দিয়েছে, কাপড় না পেয়ে কলাপাতায় মানুষের দাফন হয়েছে, ডাস্টবিনে খাবার সংগ্রহে মানুষ-পশুতে লড়াই হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাটের ফলে অসংখ্য কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেদেশের মানুষের মধ্যে উন্নয়নের স্বপ্নে গণজাগরণ তৈরি করা কত বড় দূরূহ কাজ ছিল, হয় তো সমাজতাত্বিকরা বিশ্লেষণ করলে বিস্ময়ে অবাক হবেন। কিন্তু গণজাগরণের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান মানুষের মধ্যে হতাশার স্থলে উৎপাদন ও উন্নয়নের উদ্দীপনার জোয়ার সৃষ্টি করেছিল ।
সেই ধারা এখন আর বিএনপিতে নেই। দল ক্ষমতায় না থাকলেও শীর্ষ নেতাদের ভিতর পদ বিক্রির চলছে খোলামেলা ব্যবসা।
এই মুহুতে বিএনপির সিনিয়ার ভাইস চ্যায়ারমান দেশ নায়ক তারেক রহমানকে বের হয়ে আসতে হবে আধুনিক উপায়ে।
গুটি কয়েক লোকের সাথে লন্ডনে কাজ না করে কাজের পরিধী বাড়াতে হবে বেপক ভাবে।
যদিও তারেক রহমান যথেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সম্পূন্ন রাজনৈতিক তারপরও তার জানা প্রয়োজন যে তার আশপাশের লোকেরা তার নাম দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ।
সেই ক্ষেত্রে তারেক রহমানকে খোলা মেলা পরিসরে অথ্যাৎ সোস্যাল মিডিয়ার ফ্যান পেইজে আসতে হবে সপ্তাহে অন্তত দুবার।
ফ্যান পেইজের লাইভ কাষ্ট করতে হবে কথা বলতে হবে এক এক দিন এক এক জেলা, শহর,ওয়ার্ডের নেতা কর্মীদের সাথে তাহলেই জাগরন ঘটানো সম্ভব।
তৃণমূলরা এখন চরম হতাশার ভিতরে আছে সিনিয়ার নেতাদের বানিজ্যের কারনে যে কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না।
আমি জরিপ করেই অনুরোধ জানাচ্ছি দেশ নায়ক তারেক রহমানকে সরাসরি লাইভ কাষ্টে আসার জন্য।

(লেখক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এনডিপি ২০ দলীয় জোট)

Leave a Reply

Your email address will not be published.