Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

দ্বন্দ্ব নিরসনে কুলাউড়া বিএনপিতে স্বস্তি, সম্মেলন ৩১ জুলাই

1 min read

কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ এম নাসের রহমানের সাথে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবেদ রাজার মধ্যে বিরাজমান দ্বন্দ্বের নিরসন হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপেই এমন ইতিবাচক ফলাফল।

 

সোমবার (২২ জুলাই) সোমবার মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি সভাপতি এম নাসের রহমানের ঢাকাস্থ বনানী অফিসে এই সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন ও সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবনের উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৩১ জুলাই কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়জুল করিম ময়ূন, সহ-সভাপতি আব্দুল মুকিত, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক বকশী মিছবাহ উর রহমান, বিএনপির সিনি. যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিক আহমদ, বিএনপি নেতা ময়নুল হক বকুল প্রমুখ।

 

এর সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মিজানুর রহমান মিজান জানান, জেলা সভাপতি নাসের রহমান ও বিএনপি নেতা অ্যাড. আবেদ রাজার মধ্যকার যে ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিলো তা নিরসন করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। জেলা বিএনপির তত্ত্বাবধানে আগামী ৩১ জুলাই উপজেলার কাউন্সিল কুলাউড়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

 

উল্লেখ্য, পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি হিসেবে গত ৩০ জুন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। ওইদিন হঠাৎ জেলার হস্তক্ষেপে কাউন্সিল স্থগিত হয়। মূলত ওই দিনের ঘটনা থেকে নাসের রহমান ও আবেদ রাজার মধ্যে মণোমালিণ্য সৃষ্টি হয়। আবেদ রাজাকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে অপসারণ করে পরবর্তীতে আবারো ২০ জুলাই শনিবার মৌলভীবাজারে পৌর মিলনায়তনে কুলাউড়া বিএনপির কাউন্সিলের ঘোষণা করে জেলা বিএনপি।

 

এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। পরে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে দ্বন্ধ নিরসন নতুন কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA