Wed. Feb 19th, 2020

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

ধোবাউড়ায় ব্রীজ আছে, রাস্তা নেই

1 min read

 

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) :
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার ১নং দক্ষিন মাইজপাড়া ইউনিয়নের পঞ্চনন্দপুর এলাখার রাস্তায় প্রায় ১৮ বছর আগে ব্রীজ নির্মাণ করা হলেও রাস্তা না থাকায় ৫টি গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা গেছে ২০০২ সালে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই ব্রীজটি নির্মাণ করে ওয়াল ভিশন। রাস্তা নির্মাণ না করেই ব্রীজ নির্মাণ করায় ব্রীজটি কোনো কাজে আসছে না পথচারীদের। বরং শুষ্ক মৌসুমেও ব্রীজটি গ্রামবাসীদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তা নেই তবু তৈরি করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে ব্রীজ এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে এই রাস্তা শুন্য ব্রীজটি। ব্রীজের চারদিকে পানি, নেই কোন রাস্তা, মাটি ভরাট না করায় ব্রীজে উঠার মতো কোন পরিস্থিতি নেই। ব্রীজের দুপাশে মাটি ভরাট ও রাস্তা তৈরি করে জনগণের চলা-চলের উপযোগী করে তোলা হলে সেখানকার মানুষ উপকার পেত, এখানে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে পথচারী ও এলাকাবাসী লোকজন। কেন বা কার স্বার্থে ওই ব্রীজ তৈরি করা হয়েছে উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পঞ্চনন্দপুর সানখলা রানিপুর টংলাপাড়া বাগপাড়াসহ ৫টি গ্রামের শতশত মানুষ ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা এ পথে চরম কষ্টে যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্ধা সাইম মিয়াসহ কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে রাস্তা নির্মাণের জন্য আশ্বাস পাওয়া গেলেও আজো তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ রাস্তাটি নির্মাণের দাবি এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় গ্রামবাসীদের রাস্তা পারাপারে দুর্ভোগের সীমা থাকে না, শত শত মানুষের পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায় নৌকা। এবিষয়ে জান্তে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বলেন, এ ব্যপারে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনাও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজে আসেনি। আবারও এরাস্তা নির্মানের বিষয়ে প্রস্তাবনা উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পাস হলেই রাস্তাটি নির্মাণ করা হবে।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.