নিউইয়র্কের ব্রুকলীনে জাতীয় শোক দিবস পালন : রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি (ভিডিও)

প্রকাশিত:সোমবার, ১৭ আগ ২০২০ ০২:০৮

নিউইয়র্কের ব্রুকলীনে জাতীয় শোক দিবস পালন : রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি (ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকা-ে সাজাপ্রাপ্ত খুনী রাশেদ চৌধুরী মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রে লুকিয়ে আছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে নেয়া রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর ঘাতক রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো এখন সময়ের দাবি। আশা করি যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই বঙ্গবন্ধুর এ খুনীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।

নিউইয়র্কে ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে স্থানীয় সময় ১৫ আগস্ট শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নিউইয়র্ক ব্রুকলীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ সম্মিলিত উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়। অনুষ্ঠানে মাস্ক, স্যানিটাইজার, খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, আলোচনা ও দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।

মুজিব বর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাজী সেরাজুল মাওলার সভাপতিত্বে এবং উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মোস্তফা কামালের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক ব্রুকলীন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম নজরুল ও চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসমত হক খোকন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাসেম, এন আমিন, হাজী মফিজুর রহমান, আবুল হাসান মহিউদ্দিন, মোবারক হোসাইন শামীম, জুয়েল প্রমুখ। আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সহ ৭৫ এর ১৫ আগস্টে নির্মমভাবে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুসহ শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

বক্তারা বলেন, ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকা- মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বর্বরোচিত হত্যাকা-। জেনারেল জিয়া কুক্ষাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স প্রণয়ন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে এবং খুনীদের বাংলাদেশের বিদেশী মিশনে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে সেই কুক্ষাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিলের মাধ্যমে খুনীদের বিচার কাজ সম্পন্ন করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার রায় কার্যকর করেন।

তারা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে এবং যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো তাকে ভুলুন্ঠিত করার জন্যই ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটনো হয়। এ হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশের মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন, সম্ভাবনা, আশা-ভরসা ধূলিস্মাৎ করে দেয়া হয়। শেখ হাসিনার সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করেছে। দেশের অর্থনীতির ভিতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে, দেশকে দারিদ্র মুক্ত, উন্নত সমৃদ্ধ করতে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

এই সংবাদটি 1,230 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ