নিউইয়র্কে দক্ষিণ এশিয়ান-আমেরিকানদের সম্মেলন

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে দক্ষিণ এশিয়ান-আমেরিকানদের সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের সংকল্প উচ্চারিত হল। গত ১৯ জুলাই ‘সাউথ এশিয়ান এ্যাকশন নেটওয়ার্ক’র ব্যানারে এ সম্মেলন হয় কুইন্সের ওয়ার্ল্ডফেয়ার মেরিনা পার্টি হলে।

বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে এই সম্মেলনে নেপাল, ভারত, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপের লোকজনও এসেছিলেন। হোস্ট সংগঠনের প্রধান জয় চৌধুরীর সার্বিক সঞ্চালনায় কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কাটজ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, কুইন্স বরোর ইমেজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে অভিবাসী সমাজের ভূমিকা সর্বজনবিদিত। এ ধরনের সমাবেশ যত বেশি হবে ততই উজ্জীবিত হবে অভিবাসী সমাজের ঐক্য এবং আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের প্রক্রিয়া।

বক্তব্য শেষে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট হোস্ট সংগঠনের সকল কর্মকর্তাকে মঞ্চে ডেকে বিপুল করতালির মধ্যে প্রক্লেমেশন প্রদান করেন।

এর ছিলেন কো-কনভেনর মোহাম্মদ আলী এবং আকশার পাটেল, উপদেষ্টা আব্দুর রহিম হাওলাদার, ইয়ুথ কো-অর্ডিনেটর পারভেজ রহমান, মোহাম্মদ রহমান, বিনিদা তামাঙ, জামি কাজী এবং আনাটোলে আশরাফ, কো-অর্ডিনেটর ফারুক হোসেন মজুমদার, আহসান হাবীব, মোহাম্মদ হাসান জিলানী, কল্পনা গিমিরি, ফুরুলামা, সাঈদুর খান, ডা. নারগিস রহমান, এস এম সোলায়মান, অমর এস তামাঙ, মীর জাকির হোসেন প্রমুখ।

স্টেট এাসেম্বলীম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন বলেন, কুইন্স আজ বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য এক উদাহরণে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের সরব উপস্থিতির কারণে। তারা যতটা সুসংগঠনিত হবে ততই মঙ্গল ত্বরান্বিত হবে এই বরোতে।

কম্যুনিটি সার্ভিস এবং মূলধারায় কম্যুনিটিকে সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বেশ ক’জনকে সাইটেশন এবং কংগ্রেসনাল প্রক্লেমেশন প্রদান করা হয়। এর মধ্যে পিপল এন টেকের প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ, বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক লীগের প্রেসিডেন্ট খোরশেদ খন্দকার, বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী কাজী নয়ন এবং সেক্রেটারি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, রিয়েল এস্টেট এজেন্ট ও সমাজকর্মী মোর্শেদা জামান, মূলধারার সঙ্গীত শিল্পী রাহমি খান অন্যতম।

সম্মেলনের উপদেষ্টা আব্দুর রহিমত হাওলাদার, ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ, মূলধারার রাজনীতিক তৈয়বুর রহমান হারুন ও খোরশেদ খন্দকার বলেন, শুধু বাংলাদেশি হিসেবে নয়, নিউইয়র্ক সিটিতে ৫ লাখেরও অধিক মানুষ রয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ান। কিন্তু তাদের মধ্যে কার্যকর কোন নেটওয়ার্ক ছিল না। বাংলাদেশি আমেরিকান জয় চৌধুরীর উদ্যোগে এই প্রথম ঐক্যের প্রকাশ ঘটলো।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.