নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসনের ইফতারে বাংলাদেশিরা

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসনের উদ্যোগে তৃতীয় বার্ষিক ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

 

বৃহস্পতিবার জ্যাকসন হাইটসে ৭৭ স্ট্রিটে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে আগতদের স্বাগত জানিয়ে কাউন্সিলম্যান ডেনিয়েল ড্রোম বলেন, “মুসলমান তথা অভিবাসী সমাজের কঠোর শ্রমেই এই জ্যাকসন হাইটস আজ যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্রে বিশেষ এক স্থান দখলে সক্ষম হয়েছে। বহুজাতিক সমাজে সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্তেও পরিণত হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে পরস্পরের সহযোগী হয়ে কাজ করতে হবে।”

 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নিউ ইয়র্ক সিটি হিউম্যান রাইটস কমিশনার ওয়াইদাদ হাসান ও মেয়রের ইমিগ্রেশন অফিসের কর্মকর্তা তাহিতুন মরিয়ম।

 

অনুষ্ঠানে সিটির ডেপুটি মেয়র ফিলিপ থমসন বলেন, “নিউ ইয়র্ক সিটিতে সকল ধর্ম, বর্ণ আর গোত্রের মানুষের সমঅধিকার রয়েছে। কারো সাথে কোন ধরনের বৈষম্যের সুযোগ নেই। অভিবাসনের মর্যাদা নিয়েও সিটি প্রশাসন কখনোই কোন প্রশ্নের অবতারণা করে না। এই বৈশিষ্ট্য সমুন্নত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

 

এ সময় আরও বক্তব্য দেন মেয়রের ইমিগ্রেশন বিষয়ক কমিশনার বিটা মোস্তফি, নিউ ইয়র্ক সিটি কমিশন অন হিউম্যান রাইটসের চেয়ার ও কমিশনার কারমেলিন পি মালালিস, মেয়রের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের কমিশনার মারকো এ ক্যারিয়ন, উইমেন ইন ইসলাম নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা আয়শা আল আদাইয়া, ছায়া সিডিসির কমিউনিটি অর্গানাইজার ফারজানা লিন্ডা, ইয়েমেনি আমেরিকান মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভিডি জায়েদ নাজি, থ্রাইভ এনওয়াইসির অ্যাঙ্গেজমেন্ট স্পেশালিস্ট আরসালান রহমান, সেন্টার ফর কন্সটিটিউশনাল রাইটসের আইনজীবী ডায়ালা সামাস এবং মেয়রের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সিনিয়র উপদেষ্টা সারাহ সাঈদ।

 

সিটি কমিশন অন হিউম্যান রাইটসের কুইন্স অফিসের কর্মকর্তা রাসেল কবীর বলেন, “বিভিন্ন দেশের রোজাদার অংশ নেন এ মাহফিলে। তবে খাবার ছিল বাংলাদেশি তথা ভারতীয় আমেজে। এভাবেই বাঙালি খাদ্যকে ভিনদেশীদের কাছে পরিচিত করার একটি প্রক্রিয়াও সক্রিয় ছিল।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.