Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ

1 min read

মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববির পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এক বিশাল মসজিদ নির্মাণ করছে পাকিস্তানের বাহরিয়া টাউন। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এ বিশাল মসজিদটি বর্তমানে নির্মাণাধীন।

 

পাকিস্তানের করাচি শহরের ‘বাহরিয়া টাউন’-এ নির্মিত হচ্ছে এ মসজিদ। মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববির পর এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এখানে এক সঙ্গে ৮ লাখ লোক নামাজ আদায় করতে পারবে।

 

‘বাহরিয়া টাউন’ রিয়াল স্টেট কোম্পানি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে-

‘মক্কার মসজিদে হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববিই হলো বিশ্বের প্রথম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম মসজিদ। আর সম্মান ও মর্যাদায় বিশ্বের অন্য কোনো মসজিদই এ দুই পবিত্র মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববির সমকক্ষ নয়। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা পবিত্র দুই মসজিদের পর পাকিস্তানের করাচির ‘বাহরিয়া টাউন’-এ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ করছি।’

 

করাচির ‘বাহরিয়া টাউন’-এ নির্মিত এ বিশাল মসজিদের সঙ্গে থাকবে আন্তর্জাতিক ইসলামি ইউনিভার্সিটি, ইসলামিক সেন্টার, মিউজিয়াম এবং গবেষণা কেন্দ্র।

 

বর্তমানে পাকিস্তানের লাহোরের ‘বাহরিয়া টাউন’-এ বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম মসজিদ অবস্থিত। এ মসজিদে এক সঙ্গে ৭০ হাজার লোক নামাজ আদায় করতে পারে। এটি পাকিস্তানের বড় মসজিদগুলোর একটি।

 

 

 

করাচিতে নির্মিতব্য মসজিদটি মোঘল ও ইসলামি স্থাপত্যের আদলে তৈরি করা হচ্ছে। এ মসজিদের ডিজাইন করতে গিয়ে ইরান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মসজিদগুলো থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এ মসজিদের অভ্যন্তরে নির্মিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে থাকবে উন্নত মানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজস্ব তাপ-বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পও বিদ্যমান থাকবে।

 

উল্লেখ্য যে, ‘বাহরিয়া টাউন’ মূলত পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেট রিয়েল স্টেট ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রধান প্রধান শহরে ‘বাহরিয়া টাউন’ নামে তাদের আবাসন রয়েছে।

 

করাচির বাহরিয়া আবাসিক এলাকায় বিশ্বের তৃতীয় এ বৃহত্তম মসজিদটি নির্মাণ করছে তারা। বাহরিয়া টাউন প্রাইভেট লিমিটেড রিয়েল স্টেট কোম্পানির এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA