পছন্দের হেড কোচকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর বাংলাদেশের কোচিংয়ের দায়িত্ব ছাড়েন চন্দিকা হাতুরুসিংহে। এরপর থেকে হেড কোচের সন্ধানে নেমেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টাইগারদের পছন্দের কোচ পাচ্ছে না বোর্ড। আর যাদের পেতে চাচ্ছেন, তারা এতো বেতন দাবি করছেন, যা বাংলাদেশের পক্ষে দেয়া কঠিন। এই সবের মধ্যেই শোনা গিয়েছিল ইংল্যান্ডের সাবেক উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান পল ফারব্রেসের কথা। তাকে হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়ার দাবি করেছিল বিসিবি। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা। বাংলাদেশের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেন না তিনি। চুক্তিপ জনপ্রিয় ক্রীড়া ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো এমনটাই জানিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র জানায়, গত সপ্তাহেই বাংলাদেশের সাথে চুক্তি না করার কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করেননি তিনি। বিসিবি’কে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি হেড কোচের দায়িত্ব নিতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে ক্রিকইনফোর পক্ষ থেকে ফারব্রেস ও বিসিবির সাথে যোগাযোগ করা হলে জানা, কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

বলে রাখা ভালা, গত ৭ মার্চ বিসিরি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন কলম্বোয় অবস্থানকালে জানিয়েছিলেন, একজন পরিচিত কোচই বাংলাদেশের হেড কোচ হতে যাচ্ছেন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে তিনি বাংলাদেশের দায়িত্ব নেবেন। তিনি হলেন ইংল্যান্ডের ৫০ বছর বয়সী পল ফারব্রেস।

এর দিন কয়েক পরই ১১ মার্চ ভিন্ন সুরে কথা বলেন পাপন। বলেন, ‘নিদাহাস ট্রফির পর আমরা কোচের জন্য আরো কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নিব। আশা করছি, এই মাসের মধ্যেই নিয়োগ সম্পন্ন হবে। আগামী মাস থেকে নতুন কোচ পাবে বাংলাদেশ।’

 

মুশফিককে নিয়ে এ কী বললেন পাপন!

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ছিল ১৯ রান, হাতে বল ছিল ১২টি। ১৮তম ওভারের খেলা শুরু। স্ট্রাইকে মুশফিক। ফার্নোন্দোর প্রথম বলে এক রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলেন মুশফিক। স্ট্রাইকে সাব্বির রহমান। প্রয়োজন ১১ বলে ১৮ রান। শ্বাসরুদ্ধকর এই মুহূর্তে আউট হয়ে গেলেন সাব্বির। তাতে হতাশ না হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে দারুণ উদ্দীপনায় এগিয়ে গেলেন অভিজ্ঞ মুশফিক। হাঁকালেন ছক্কা! এই ছক্কাই পেছনে ফেলে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জয় তখন হাতের মুঠোয় চলে আসে বাংলাদেশের। বাকি কাজটাও সেরে ফেরেন মুশফিক। জয়ের নায়ক বনে যান তিনি। তবে তিনি যে ছক্কা হাঁকাতে পারেন তা জানতেনই না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

চার দিনের শ্রীলঙ্কা সফর শেষে কলম্বো ছাড়ার আগে রোববার তিনি বলেন, ”তামিম-সৌম্য যে (ছক্কা) মারতে পারে, সেটা জানি। লিটন মারতে পারে জানতাম না। মুশফিক? ওকে কাল বললাম, তুমি যে এমন মারতে পার, জানতামই না! গত দুই বছর দেখছি, ছয় মারতে গিয়ে সে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হয়! ও মারতে পারে। কিন্তু ছয় মারার খেলোয়াড় সে নয়! আমাদের দলে ছক্কা মারে তিনজন- তামিম, সৌম্য আর সাব্বির। সাব্বির অবশ্য ছন্দে নেই।”

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের অক্টোবরে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে ৬ বলে ৬ রানের সমীকরণ মুশফিক মিলিয়ে ছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে। ২০১২ সালের মার্চে ওয়ানডে সংস্করণে হওয়া এশিয়া কাপে ভারতের করা ২৮৯ রান টপকেছিল বাংলাদেশ, সেটিতে শেষ দিকে তীব্র স্নায়ুচাপে ৭ বলের মধ্যে তিনটা ছক্কা মেরে কঠিন সমীকরণটা সহজ করেছিলেন মুশফিকই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.