পোরশার একমাত্র শিশুপার্কটির বেহাল অবস্থা

প্রকাশিত: ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৯

পোরশার একমাত্র শিশুপার্কটির বেহাল অবস্থা

এম রইচ উদ্দিন,পোরশা (নওগাঁ) :
নওগাঁর পোরশা উপজেলা চত্বরের শিশুপার্কটি দীর্ঘ্যদিন বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে উপজেলা সদরে অবস্থিত একমাত্র শিশুপার্কটি গরু-ছাগলের চারন ভূমিতে পরিণত হয়েছে। পূর্বে প্রাচীর দ্বারা বেষ্টনি দিয়ে জাকজমক পূর্ণ থাকলেও বর্তমান কিছুই নেই। উপজেলা সদরে বসবাসরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ সরকারী বাসভবনে থাকলেও তাদের ছেলে মেয়েরা সহ বহিরাগত শিশুরা বিনোদন ও খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পার্কটিতে কোন খেলার সামগ্রী নেই। দু’টি দোলনা রয়েছে তাও একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী। বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন সময় স্কুলগামি ছোট শিক্ষার্থীদের একটি মাত্র স্লিপারে ঝুঁকি নিয়ে খেলাধুলা করতে দেখা গেছে। ফলে অভিভাবকগণও তাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিন্তিত থাকেন। বিগত জাতীয়পার্টির সরকারের সময় বিনোদনের জন্য দেশের প্রত্যেক উপজেলায় চত্বরে একাটি করে শিশুপার্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। আর এরই অংশ হিসাবে তৎকালীন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোজাহেদুর রহমান শাহ্ চৌধুরী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজুর রহমানের সহযোগীতায় সরকারীভাবে পার্কটি গড়ে উঠে। সে সময় পার্কটিতে শিশুদের খেলার জন্য যে সব উপকরন ছিল বর্তমানে তার কিছুই নেই। এতে উপজেলা ক্যাম্পাসে বসবাসরত কর্মকর্তাদের ছেলে-মেয়ে ও স্থানীয় শিশুরা বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উদ্যেগে আবারও উপজেলা কাঠামো চালু হলেও একমাত্র শিশুপার্কটি চালু করা হয়নি। এতে উপজেলায় আর কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় শিশুরা হারিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন খেলাধুলার জগত থেকে। পরিত্যক্ত শিশুপার্কটি পুনরায় সংস্কার করলে বেহাল অবস্থা কাটিয়ে পার্কটি নতুন জীবন ফিরিয়ে পেতো। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছেলে মেয়ের পাশাপাশি বহিরাগত শিশুরাও খেলা ধুলা করতে পারতো। আর শিশুদের মেধা বিকাশের কেন্দ্র হিসাবেও বিবেচিত হতো পার্কটি। এজন্য এলাকার বিশিষ্ট জনরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট অবিলম্বে পার্কটি সংস্কার করে শিশুদের বিনোদন ও খেলার সু-ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। এবিষয়ে পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হামিদ রেজা বলেন, তিনি নিজে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরীকে নিয়ে পার্কের স্থান ঘুরে দেখেছেন। যদিও অনেক অর্থ ব্যায় হবে তারপরেও সুন্দর একটি বিনোদন কেন্দ্র করার জন্য তারা চিন্তা ভাবনা করছেন বলে জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •