প্রবাসীর স্ত্রী’র কুরবানীর গরু ক্রয়ের টাকা ছিনতাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ০৮ আগ ২০১৯ ০২:০৮

প্রবাসীর স্ত্রী’র কুরবানীর গরু ক্রয়ের টাকা ছিনতাই

সামনেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে ঘিরে তাই মৌলভীবাজারে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।

 

কামারপাড়া এখন লোহা হাতুড়ির টুং টাং শব্দে মুখর। পুড়ছে কয়লা, জ্বলছে লোহা। হাতুড়ির আঘাতে তৈরী হচ্ছে দৈনন্দিন জীবনে কাজের উপযুক্ত দ্রব্য সামগ্রী, দা, বটি, চাকু, কুড়াল, ছুরি, চাপাতিসহ ধারালো সব যন্ত্রপাতি।

 

আর কিছুদিন পরই দেশ জুড়ে পালিত হবে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে টুং টাং আওয়াজে  তাই ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌলভীবাজারের কামাররা। সারা বছর কাজ সীমিত থাকলেও কোরবানির ঈদের এ সময়টাতে বেড়ে যায় তাদের কর্মব্যস্ততা।

 

কামারপাড়ায় দা-ছুরি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাকু প্রতি পিছ ৫০-৮০ টাকা, দা ৪০০-৫০০ টাকা,   চাপাতি ৩০০-৪০০ টাকা এবং বটি ২০০- ২৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে গুনতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। শহর ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটানা কজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার কামাররা।

 

কারিগর কমলাকান্ত দেব বলেন, স্বাভাবিকভাবে কোরবানি ঈদ এলে আমাদের কাজের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এসময় সকাল ৯ টা থেকে রাত ১২টা-১ টা পর্যন্ত একটানা কাজ করতে হয়। ক্রেতাদেরও কমতি থাকে না। একটু বেশি আয়ের উদ্দেশ্যে দিন-রাত এমন পরিশ্রম করতে হয় বলেও জানান তিনি।

 

শহরের দা-ছুরি দোকানের কর্মচারি রনু চন্দ্র দেব জানান, ঈদ সামনে, তাই অনেক ব্যস্ত। কিন্তু সারাবছর স্বল্প আয়ে আমরা কিভাবে পরিবার নিয়ে চলি,তা জানার কেউ নেই । সারাদিনে মহাজনের পাঁচশত টাকা রুজি হলে আমরা তার থেকে কত টাকাই বা পেয়ে থাকি বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

 

গরু কোরবানির জন্য চাকু কিনতে আসা বশির মিয়া বলেন, কোরবানির জন্য ভালো দেখে একটা চাকু কিনলাম। অন্য সময়ের তুলনায় দাম একটু বেশি রাখছেন কামাররা বলেও তিনি জানান।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •