প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থীতা চাই

প্রকাশিত:রবিবার, ০৯ আগ ২০২০ ১০:০৮

প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থীতা চাই
ফারজানা আক্তার,সহকারী শিক্ষক
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নন ক্যাডার ও ক্যাডার নিয়োগবিধি ২০১৯ খসড়া করে বিভাগীয় প্রার্থীতা বাতিল করে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ ইং এস আর ও ৩৯৭  – এল/৮৫,১৯ ডিসেম্বর ১৯৯৪ ইং এস আর ও ৩৫২ নং- আইন/৯৪,৩১ আগস্ট ২০০৩ ইং এস আর নং ২৬০- আইন ২০০৩ ইং গেজেটে সহকারী শিক্ষকদের উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির সুযোগ ছিল এবং উক্ত পদে বিভাগীয় প্রার্থীতা(৪৫ বছর) পর্যম্ত বয়স শিথিল ছিল।এ গেজেটের প্রেক্ষিতে  ২০১৫ সালে সর্বশেষ ১৪৪ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হয়।
কিন্তু,প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নন- ক্যাডার ও ক্যাডার নিয়োগবিধি, ২০১৯ খসড়া করে সহকারী শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থীতা বাতিল করে।
সাইফ ইসলাম সাইফ,সহকারী শিক্ষক বলেন,বাংলাদেশে সরকারি বিদ্যালয় আছে ৬৩ হাজার ৬০১।এতে শিক্ষক কর্মরত আছেন ৩ লক্ষ  ২২ হাজার।প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ শিক্ষক আছেন।পূর্বে শিক্ষকরা এটিও,টিও পদে (৪৫ বছর বয়স শিথিলযোগ্য)আবেদন করতে পারত।২০১৯ খসড়া করে সে সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।
এ নিয়ে ফারজানা আক্তার,সহকারী শিক্ষক বলেন,,২০১৯ খসড়াতে উল্লেখ আছে ৮০% প্রধান শিক্ষক থেকে সহকারী শিক্ষা অফিসার ও সহকারী ইন্সট্রাক্টর পদে নেওয়া হবে।প্রধান শিক্ষক হতেই অনেকের বয়স ৪৭/৪৮ হয়ে যায়।প্রধান শিক্ষক পদে ৩ বছর অভিজ্ঞতা অর্জনের পর সহকারী শিক্ষক হবেন বয়স দাড়াঁবে ৫০ বছর।প্রধান শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থীতা প্রদান শুভঙ্করের ফাঁকি।মূলত সরাসরি
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও নন ক্যাডার প্রধান শিক্ষক এ সুযোগ পাবেন।
২০১৯ খসড়া বাস্তবায়ন হলে শিক্ষকরা ক্লাসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলবেন।সহকারী শিক্ষক পদ ব্লকপোস্টে পরিণত হলে দক্ষ তরুণ শিক্ষক এ পেশায় আসতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
খসড়া বাস্তবায়ন হলে শিক্ষকরা কঠিন আন্দোলনের হুশিঁয়ার দিয়েছেন।
শিক্ষকদের দাবি সহকারী শিক্ষক থেকে সরাসরি পদোন্নতির মাধ্যমে ৫০% এবং বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে (৪৫ বছর বয়স শিথিলযোগ্য)৫০% নিয়োগের দাবি জানিয়েছে।

এই সংবাদটি 1,267 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ