ফেনীতে বিএডিসি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার, ০৫ আগ ২০১৬ ০২:০৮

ফেনীতে বিএডিসি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মহিপাল সার গুদাম রক্ষক ও সহকারী পরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হাই’র বিরুদ্ধে এক হাজার চার শত মেট্রিক টন সার আত্মসাতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সারের মূল্য ধরা হয়েছে পাঁচ কোটি চার লাখ টাকা।
বিএডিসি (সার) নোয়াখালীর যুগ্ম পরিচালক ড. মো. ইসবাত বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ফেনী সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এ সময় দূর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. তালেবুর রহমান, বিএডিসি (সার) ফেনীর উপ-পরিচালক রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন। মামলাটি নোয়াখালীর দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করবে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মহিপাল সার গুদাম রক্ষক ও সহকারী পরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হাই ২০১০ সালের ৩০ মার্চ থেকে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত ফেনীর মহিপালে সর্ববৃহৎ সার গুদামের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গত ২ মার্চ বিএডিসির প্রধান কার্যালয় থেকে ফেনীর মহিপাল সার গুদামের হিসাব ও তথ্য উপাত্ত নিরীক্ষনের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। নোয়াখালীর বিএডিসি (সার) যুগ্ম পরিচালক ড. মো. ইসবাতকে কমিটির আহ্বায়ক, বিএডিসি নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাহেদকে সদস্য সচিব ও বিএডিসি (সার) ফেনীর উপ-পরিচালক রুহুল আমিনকে সদস্য করা হয়।
কমিটি গঠনের পর তাঁরা ২০১০ সালের ৩০ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সময় ফেনীর মহিপাল সার গুদামের হিসাব নিরীক্ষন করেন। এতে ওই সময়কালে এক হাজার চার শত তের মেট্রিক টন সারের কোন হদিস পান নি। যার মূল্য ধরা হয়েছে পাঁচ কোটি চার লাখ পঞ্চাশ হাজার নয় শত ৪০ টাকা।
মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনের পর গত ৩ আগস্ট বিএডিসি মহিপাল সার গুদাম রক্ষক ও উপ সহকারী পরিচালক আবদুল হাইকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মোরশেদ বিএডিসির সার আত্মসাতে অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলাটি দূর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তদন্ত করবেন।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •