ফের সীমান্তে উত্তেজনায় তৎপর ভারতীয় সেনাবাহীনি

প্রকাশিত:বুধবার, ২১ সেপ্টে ২০১৬ ১০:০৯

1এম.এস.এইচ.চৌধুরী ( রাজিব ) ::: পাকিস্তানকে নানান চাপ সৃষ্টি করার পরেও কোন কাজের কাজ হচ্ছে না ভারতের। জঙ্গিদের চোরাগুপ্তা হামলা মোকাবিলা করতে করতে ধৈর্য্যের বাধ ভেঙ্গে গেছে। এবার যুক্তরাষ্ট্রের ‘কোভার্ট অপারেশন’ নামের কৌশল প্রয়োগ হোক দাবি ভারতীয় সেনাবাহিনীর। পাকিস্তানের ভূখন্ডে প্রবেশ করে জঙ্গি প্রশিক্ষন শিবিরগুলোতে ‘গুপ্ত অভিযান’ বা ‘কোভার্ট অপারেশন’ চালানোর মনোভাব প্রকাশের কথা বাহিনীর প্রধান দলবীর সিংহ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনোহর পারিকরকে জানিয়েছেন। তাদের দাবি বাহিনীতে রয়েছে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সেনা সদস্য যারা এ ধরনের অভিযান পরিচালনায় খুবই পারদর্শী। তাছাড়া একদল কমান্ডো রয়েছে, যাদের কাজ সীমান্ত পার হয়ে অন্য দেশের ভূখন্ডে এ ধরনের হামলা চালানো। এই ধরনের অপারেশনে বায়ূ সেনা থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যেমন অগ্নি ব্রাহম্সকে ও কাজে লাগানোর জন্য দাবি তোলা হয়েছে সেনাদের পক্ষ থেকে।
চির প্রতিদ্বন্ধী ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের সামরিক শক্তি ও সামর্থ পরখ করার জন্য দীর্ঘ দিন যাবত পারমাণবিক শক্তির পরীক্ষা মূলক প্রদর্শন করে আসছে। প্রতিনিয়ত নিজস্ব ভূখন্ড ও সীমান্ত এলাকায় সেনাবাহিনী রয়েছে বিশেষ সতর্ক অবস্থানে। যা দেখে বুঝা যায় , যে কোন মূহুর্তে যুদ্ধের ঘন্টা বাজতে পারে।
গত ১৯ শে সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টার দিকে চার সদস্যের একটি হামলাকারী দল ভারত নিয়ন্ত্রীত কাশ্মিরের সেনাদ্প্তর উরিতে গুপ্তহামলার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে গ্রেনেড ছোঁড়তে থাকে, এক পর্যায়ে হামলাকারীরা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা হামলা চালালে আনুমানিক ছয় ঘন্টা বন্দুক যুদ্ধ করে উক্ত হামলাকারীরা। উক্ত হামলায় ১৭ জন নিহত ও ৩০ জন সৈন্য গুরুতর আহত সহ চার হামলাকারী ও নিহত হয় বলে জানিয়েছে ভারতী অনলাইন নিউজপোর্টাল এনডিটিভি। হামলার সময় কমান্ড পরিবর্তন চলছিল। তাই নিহত সৈনিকদের বেশির ভাগই তখন প্রশাসনিক ঘাটিতে ছিলো। কয়েক বছরের মধ্যে একটি একক হামলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক সৈন্যের মৃত্যু।

এই সংবাদটি 1,225 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •