বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরন হতে যাচ্ছে পটুয়াখালীতে।

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৩ নভে ২০২০ ০৫:১১

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরন হতে যাচ্ছে পটুয়াখালীতে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো বিশ্বের উন্নত দেশের একটি দেশ হবে বাংলাদেশ।তারই স্বপ্ন পূরনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
 বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে থাইল্যান্ড কিংবা সিঙ্গাপুরে আদলে একটি উন্নত দেশে পরিনত করার লক্ষ্যে
বর্তমান সরকারের নানানমুখী উদ্যোগের ফলে দেশের দক্ষিনের জনপথ।
 পটুয়াখালী শহর এবং এর আশ পাশের এলাকা গুলোতে চলছে নানামুখী উন্নয়ন কাজ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পায়রা সমুদ্র বন্দর,একাধিক তাপ বিদুৎ কেন্দ্র, শেখ হাসিনা সেনা নিবাস, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এর পাশপাশি কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র তো রয়েছেই।
সরকারের এসব উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফলে জেলা শহরটি এখন অনেকটাই ব্যস্ততম একটি শহরে পরিনত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে অদূরেই থাইল্যান্ড কিংবা সিঙ্গাপুরে আদলে একটি উন্নত শহরে পরিনত হবে পটুয়াখালী। এমন পরিকল্পনাকে মাথায় রেখে পটুয়াখালী জেলা শহরের সাথে এর আশ পাশের ইউনিয়ন গুলোকে আরও কাছাকাছি সংযুক্ত করতে বেশ কিছু আধুনিক এবং দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ(এলজিইডি)।
পটুয়াখালী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছত্তার জানান, পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নকে জেলা সদরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত করার পাশাপাশি জেলার ঐতিহ্যবাহী বহালগাছিয়া খালকে আবারও তার স্বাভাবিক অস্থায় ফিরিয়ে আনতে সদর উপজেলার পেছনের বাঁধটি অপসারন করে সেখানে ৮১ মিটার দীর্ঘ একটি দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ নির্মান করা হবে। একই ভাবে বহালগাছিয়া খালের উপরনির্মিত গরুর বাঁধ অপসারন করে সেখানেও ৮১ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রীজ নির্মান করা হচ্ছে। যা অনেকটা হাতিরঝিলের ব্রীজ গুলোর মত দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করা হয়েছে। এছাড়া মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের সাথে পটুয়াখালী পৌর শহরকে সংযুক্ত করতে কুরিরখাল এলাকায় একটি ৪৫ মিটারের ব্রীজ নির্মিত হবে। এর ফলে জেলা শহরের সাথে ছোটবিঘাই, বড়বিঘাই, মরিচবুনিয়া এবং মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের নতুন একটি সংযোগ স্থাপিত হবে। একই ভাবে পটুয়াখালী পৌরসভার সাথে কালিকাপুর ইউনিয়নের নতুন সংযোগ স্থাপন এবং ফুলতলা খালটি প্রবাহমান করতে বাঁধ অপসারন করে সেখানে ৪৫ মিটারের একটি ব্রীজ নির্মান করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এমন গুরুত্ব বিবেচনা করে মোট ১২ টি ব্রীজ নির্মানের জন্য ইতি মধ্যে টেন্ডার আহবান করে যাবতীয় কার্য সম্পাদন করা হচ্ছে। এ সকল ব্রীজ নির্মিত হলে এই অঞ্চলের মানুষের সড়ক যোগাযোগ যেমন সহজ হবে পাশপাশি খাল গুলো আবারও তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে পাবে, খালের দখল হওয়া জমি পুনরুদ্বার করে কৃষি কাজে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বলেও জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আইবিআরপি প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাই জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শতবর্ষ পরিকলল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিতে গ্রামেও শহরের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং খাল ও জলাধার গুলোকে তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেই এই ব্রীজ গুলো নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এসব ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার হচ্ছে বলেও জানান প্রকল্প পরিচালক।
জেলা বাসির মন্তব্য এই ব্রীজ এর কাজ যেন অতি দ্রুত শুরু করা হয় তাই সরকারের কাছে তাদের আহবান।

এই সংবাদটি 1,241 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ