বনোপোল কাস্টমসে চলতি র্অথবছররে ২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার র্অধকেও রাজস্ব আদায় হয়নি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৬ অক্টো ২০২০ ০৫:১০

বনোপোল কাস্টমসে চলতি র্অথবছররে ২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার র্অধকেও রাজস্ব আদায় হয়নি

এম এ রহমি,বনোপোল :
দশেরে প্রধান স্থলবন্দর বনোপোল কাস্টম হাউজে চলতি র্অথবছররে প্রথম দুই মাসে রাজস্ব আদায়রে লক্ষ্যমাত্রার র্অধকেও পূরণ হয়ন।ি ২০২০-২১ র্অথবছররে ২মাস১ে হাজার ৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বপিরীতে এ সময়ে আদায় হয়ছেে ৫০১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।ঘাপলা ঘুষ অনয়িম- অবকাঠামোগত উন্নয়ন,জায়গা ও ইকুপমন্টে স্বল্পতাসহ আমদানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি কম শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি হওয়ায় রাজস্ব কমে যাচ্ছে বলে মনে করছনে বন্দর সংশ্লষ্টিরা।

বনোপোল কাস্টম হাউজ সূত্রে জানা গছে,ে চলতি র্অথবছররে জুলাইয়ে রাজস্ব আদায়রে লক্ষ্যমাত্রা ছলি ৫৭৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর বপিরীতে এ মাসে আদায় হয়ছেে ২২৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আগস্টে রাজস্ব আদায়রে লক্ষ্যমাত্রা ছলি ৫২৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যার বপিরীতে আদায় হয়ছেে ২৭৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
চলতি র্অথবছররে প্রথম দুই মাসে বন্দর দয়িে পণ্য আমদানি হয়ছেে ২ লাখ ৯০ হাজার ১৮৩ টন। ভারত থকেে পণ্য আমদানি কমছে।ে এর মধ্য২ে০১৭-১৮ র্অথবছরে পণ্য আমদানি হয়১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৭ দশমকি ৯৩ টন । ২০১৮-১৯ র্অথবছরে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯৫৩ টন,২০১৯-২০ র্অথবছরে ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৮ টন।ফলে কমছে রাজস্ব আয়।২০১৯-২০ র্অথবছরে রাজস্ব আয়রে লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৯৯৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বপিরীতে আদায় হয় ২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। রাজস্ব ঘাটতি ছলি ৩ হাজার ৪৫৮ কোটি ১২ লাখ টাকা।২০১৮-১৯ র্অথবছরে ৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা দয়িে আদায় হয়ছেলি ৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা। রাজস্ব ঘাটতি ছলি১ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা ।২০১৭-১৮ র্অথবছরে ৪ হাজার ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রা দয়িে আদায় হয় ৪ হাজার ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ঘাটতি ছলি ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

আমদানি রফতানকিারক সমতিি বনোপোলসভাপতি আলহাজ্ব মহাসনি মলিন বলনে,কম শুল্কযুক্ত পণ্য আমদান,ি রাজস্ব ফাঁক-িকরোনা সহ বভিন্নি কারকে কমছেে আমদানি ও রাজস্ব আয়।করোনা পরর্বতী সময়ে আমদানি ও রাজস্ব আয় বাড়ায় আশা আমদানরি রফতানরি সাথে সংশ্লষ্টিদরে।
বাংলাদশে ভারত চম্বোর অব র্কমাসরে পরচিালক মতয়িার রহমান বলনে,বভিন্নি জটলিতার কারণে গাড়রি চসেসি, মোটরর্পাটসসহ শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি কমে গছে।েঅবকাঠামোগত উন্নয়ন,জায়গা ওইকুপমন্টে স্বল্পতাসহ কমশুল্কর পণ্য আমদানরি ফলে কমছে রাজস্ব,ভারী বা দামী মাল কম আমদানি হচ্ছ।ে অনকে প্রতষ্টিান মাসরে পর মাস গোডাউনে ও বন্দর এলাকায় পন্য রখেে নচ্ছিে খালাস। ফলে রাজস্ব আহরন বাধাগ্রস্ত হচ্ছ।ে এনবআিরকে বানজ্যি সম্প্রসারনে আরো সহজকিরন করতে হব।ে চটিাগাং বন্দররে ন্যায় সুযোগ বাড়াতে হব।েবন্দর ও কাষ্টমস র্কমর্কতাদরে আরো আন্তরকি হয় কাজ করতে হব। বন্দররে জায়গা ইকুপমন্টে ও শডে ইর্য়াড বৃদ্ধি করে ব্যাবসায়দিরে সুগোগ বৃদ্ধি করলে বাড়বে রাজস্ব আয়। বন্দর ব্যাবহারকারীদরে সাথে বঠৈক বাড়ানো সহ অনকে নয়িম শথিলি করলে বাড়বে আমদানি রফতান।ি সরকাররে রাজস্ব আয় কয়কেগুন বৃদ্ধপিাবে বলে জানান তারা। অপরএকটি সুত্রে ভারতরে কালতিলা র্পাকে মাসরে পর মান পন্য আটকে রাখা-সহ বভিন্নি অনয়িম দু দশেরে বন্দর ও কাষ্টম সহ বন্দর ব্যাবহারবারী নতোদরে আন্তরকি হতে হব।ে তবে বনোপোল পট্টোপোল বন্দর ফরিে পাবে গতবিাড়বে রাজস্ব। উপকৃত হবে ব্যাবসায়ি ও দশেরে জনগন।বাড়বে কমসংস্থান।

বনোপোল কাস্টম হাউজরে কমশিনার আজজিুর রহমান জানান, কয়কে বছর ধরে বনোপোল দয়িে কম শুল্কযুক্ত পণ্য বশেি আমদানরি কারণে রাজস্ব আদায় কম হচ্ছ।েগছেে করোনার ধাক্কা । তবে বন্দরটি সচল থাকলে চলতি র্অথবছরে রাজস্ব আয় বাড়বে বলে আশা করনে তনিি ।
বন্দররে ধারণক্ষমতা ৫৩হাজার টন থাকলে পন্য রাখা হচ্ছে দড়ে লাখ টনরে উপর।ে তারপরও রয়ছেে জায়গা স্বল্পতা। জায়গা স্বলপতায় ভারতীয় ট্রাক বন্দরে আটকে থাকে র্দঘদিনি।খোলা আকাশরে নচিে রোদ-বৃষ্টতিে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান পণ্যসামগ্রী।ব্যবসায়ীরা বধৈ সুবধিা পলেে এ বন্দর থকেে সরকাররে রাজস্ব আহরণরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে মনে করনে বন্দরব্যাবহারকারীরা।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ