বন্ধ করা হোক করোনা টেস্ট-

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০ ০৩:০৬

বন্ধ করা হোক করোনা টেস্ট-

বন্ধ করা হোক “করোনা টেস্ট”. যার কোন সূচিকিৎসা নেই তাকে পজেটিভ রিপোর্ট দিয়ে কি লাভ? রিপোর্ট পেয়ে তিনি, তার পরিবার, সমাজ, গ্রাম আতংকিত হয়ে আরো মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করছেন। সামান্য সর্দি, কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট ভেবে আরো কটা দিন আতংকহীন বেঁচে থাক কিছু মানুষ- যেহেতু ৮২% এমনিতেই সেরে যায় তাহলে প্রতিদিন ব্রিফিং করে দেশে আতংক বাড়িতে লাভ কি? মানুষকে যেহেতুআমার কন্ট্রোল করার ক্ষমতা নেই, হাসপাতালে সিট নেই, ডাক্তার নেই- রোগীদের কোন পারিবারিক, সামাজিক কিংবা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নেই। ডাক্তাররা কুকুরের মতো ব্যবহার করছে মানুষদের সাথে। করোনা টেস্ট করার দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং লাইন আরো রোগী তৈরী করছে- যারা শতভাগ শিউর লক্ষন নিয়ে টেস্টের লাইনে দাঁড়ালো তাদের ৮০% লোক নেগেটিভ আসলেও নিশ্চিত রোগীর সাথে লাইনে থেকে পরে আক্রান্ত হচ্ছে। তাছাড়া নীজে স্যাম্পল দিলে ৩৫০০/-, হাসপাতাল কালেক্ট করলে ৪৫০০/- ব্যবসা করে যাচ্ছে এক শ্রেনী, বড় হাসপাতাল গুলো ভর্তি হলেই কেবল টেস্টে তাদের ব্যবসায়িক পলিসি গ্রহন করেছে। আমি বলবো আমাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতায় আমরা মোটামুটি সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছি করোনা। হয়তো মানুষেরও সামান্য অবদান এখানে আছে- কিন্তু আমি সচেতনভাবেই বলবো যেহেতু একজন রোগীকে আমি কোন চিকিৎসাই দিতে পারবোনা, তাকে পজেটিভ ঘোষনা দিয়ে পারিবারিক, সামাজিকভাবে হেও করে কি লাভ? তাই ভঙ্গুর স্বাস্থনীতির নায়ক পঙ্গু স্বাস্থমন্ত্রীর স্বাস্থখাতের এমন চিকিৎসাহীন দূর্বল ব্যবস্থাপনায় আমাকে ডেকে রোগী ঘোষনা না করে একটি স্বস্তি নিয়ে মরতে দিন- করোনার টেস্ট বন্ধ করুন নতুবা আরো সহজলভ্য করে সাধারন মানুষের হাতের কাছে টেস্টকিট পৌঁছে দিন- ভ্যান্টিলেটর, লাইফ সাপোর্টের সক্ষমতা অর্জন করুন। ইউরোপ, আমেরিকা কিভাবে সামলালো, আমরা করোনা দৌড়ে লাইনের শেষে দাঁড়িয়েও আগের মানুষের ভূলগুলো থেকে কিছুই শিখছিনা- ৬৬ দিন পরে অফিস করার পথে কেউ কি রাস্তায় কোন প্রশাসনিক লোক দেখেছেন কি? কেউ কে স্বাস্থ সচেতন বার্তা নিয়ে আপনার পথ রুদ্ধ করে বলেছে – আপনি এটা করুন ওটা করবেন না- রাস্তার পাশের চায়ের দোকান কি বন্ধ হয়েছে? বরং আমি দেখছি নিশ্চিত রোগী তৈরীর কারখানা বানানোর মেশিন বসিয়ে দিয়েছে প্রশাসন- দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর সাথেই এই মৃত্যু যোগ করে মহামারী শব্দ বাদ দিয়ে দিন—সবাই ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ প্রটেকশন নেয়ার চেষ্টা চললেও রাষ্ট্রীয় প্রটেকশন “প্রজ্ঞাপন, ব্রিফিং কিংবা পত্রিকা সর্বস্ব” বলেই আমি মনে করি। আমি মরলে রাষ্ট্রের কিছু যায় আসেনা কিন্তু আমার পরিবারে আমিতো রাস্ট্রপতি- তাই আমাকে পজেটিভ ঘোষনা করে আমার রাষ্ট্রকে ধ্বংস না করার আহবান করছি। এখন দেখি সামনে কি ঘটে- নিশ্চিতভাবে যুদ্ধের মাঠে অশ্র গোলাবারুদবিহীন ঠেলে নামিয়ে দেয়ায় কতদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারি দেখা যাক- হে পৃথিবী আমার ভূলগুলো ক্ষমা করো। হে আল্লাহ আমাকে এবং আমার পরিবার সহ তোমার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকে তোমার নিজ জিম্মায় রক্ষা করো।

এই সংবাদটি 1,231 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ