বরিশাল শেবাচিমে মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে ফ্লুক্লোক্স্রাসিলিন ইনজেকশনই ভরষা

প্রকাশিত:বুধবার, ০৩ আগ ২০১৬ ১১:০৮

বরিশাল শেবাচিমে মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডে ফ্লুক্লোক্স্রাসিলিন ইনজেকশনই ভরষা

বরিশাল প্রতিনিধি: এশিয়ার সর্ব বৃহৎ ঐতিহ্যবাহী বরিশাল শেরই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ওর্য়াডে চিকিৎসা সেবা চলছে অনেকটা খুরিয়ে খুরিয়ে। এই ওর্য়াডে আসা জরুরূ ী বিভাগের কাটা ছিরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে এক মাত্র ফ্লুক্লোক্স্রাসিলিন ইনজেকশনই এক মাত্র ভরষা। সেক্ষেত্রে হেক্সিসল,পভিসেপ সহ ব্যথা নাশক কেটোরোক গ্রুপ ও এন্টিবায়োটিক গ্রুফের সেফ্রাডিন এবং ওমিপ্রাজল গ্রুপের ইনজেকশ পর্যন্ত সাপ্লাই নেই এই ওর্য়াডে। ফলে সরকারী এই প্রতিষ্ঠানটিতে গরীব রোগীদের চিকিৎসা সেবা পাওয়া অনেকটা প্রাইভেট হাসপাতালের মতোই ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে আলাপকালে নুপুর বেগম (ছন্দনাম) নামের একজন রোগী জানান, তিনি গত কাল এই ওর্য়াডে ভর্ত্তি হলে কতর্ব্যরত ডাক্তার তার স্বজনদের ল্যাকটোরিং ১ হাজার সিসি-১ টি,স্যালোরাইড ১ হাজার সিসি-১ টি, লিব্যাক ৫০০ এমজি -৬টি,ব্যথানাশক রোলাক-৩টি ,প্রলিন২.০সি/বি, টিটি ভ্যাকসিন-১ টি,ভ্যাক্স্রিলেট-১ টি,হেক্স্রিসল-১টি,ভায়োডিন-১টি,ওমিপ্রাজল -৪ টি ইনজেকশন বাহির থেকে ক্রয় করে আনার স্লিপ ধরিয়ে দেন। যার মূল্য দাড়ায় ১৮৭৬ টাকা। যা ক্রয় করা গরীব রোগীদের জন্য কষ্টসাধ্য॥
বিষয়টি জানতে কর্তব্যরত নার্সদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায়,এখানে একমাত্র ফ¬েুক্লাক্স্রাসিলিন ইনজেকশন ছারা আর কোন ইনজেকটেবল আইটেম সাপ্লাই নেই। এরইধারাবাহিকতায় বরিশাল শেবাচিমের পরিচালক ডাঃএস,এম সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যদি ও আমাদের এখানে হেক্সিসল,পভিসেপ সর্ট সাপ্লাই আছে। ডাক্তাররা রোগীদের যে ইনজেকশন প্রয়োজন তা লিখে দেয় তা ষ্টোর থেকে রোগীদের দেয়া হয়। আমাদের সেপট্রিয়া্েজান পর্যন্ত সাপ্লাই আছে।
অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে শেবাচিমে কেবিনে থাকা রোগীদের দেকভাল করতে ডাক্তারদের অনীহা। কেবিনে থাকা রোগীদের স্বজনদের অনুরোধ করে ডাক্তারদের ভিজিট করাতে হয়॥ ফলে অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্বে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হওয়ার জন্য কেবিনে যাচ্ছেনা। বেড না পেলে ও ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •