বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ও দূতাবাসের নিষ্পল বৈঠক: পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানের কোন নিশ্চয়তা মেলেনি

পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানের নিশ্চয়তা ছাড়াই বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ও দূতাবাসের নিষ্পল বৈঠক শেষ হয়েছে । পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানের কোন নিশ্চয়তা না মেলায় হতাশ হয়ে পড়েছেন পাসপোর্ট আবেদন কারি ১৭৫ এবং আরও অপেক্ষমাণ ২শতাধিক বাংলাদশি। শুধুমাত্র এ মাসে পাসপোর্ট না পাওয়ায় স্পেনের স্বপ্নের বৈধ কাগজ হারাবেন ৫ জন।দফায় দফায় বৈঠক মিলছে না কোন সুরাহা। প্রবাসীদের কাঙ্ক্ষিত এ কোন এ দাবিকে করন পাত করছে না পাসপোর্ট অধিদপ্তর। সবার কথা হল স্পেনের মতো দেশে সংশোধনী থাকলেও বাংলাদেশ কেন নিজ দেশের নাগরিক কে এ অধিকার থেকে অগ্রাহ্য করবে ? একটি সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে, মৃত্যু কে আলিঙ্গন করে পাহাড় ,জংগল ,মরুভূমি র বিভিশিকাময় পথ পাড়ি দিয়ে ,যা আবার একটি সুযোগ সৃষ্টি হল ,তখনি বাধা হয়ে দাড়ালো পাসপোর্ট ।

গতকাল মঙ্গলবার ৬ মার্চ প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টাব্যাপি এ জ্রুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ দুতাবাসের মিলনায়তনে স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঐক্যের সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে এক জরুরী ঐতিহাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন স্পেনের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপুর্ণ মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির সহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের সামাজিক, আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্হিত থেকে ভিকটিমদের পক্ষ থেকে দাবীদাওয়ার বিষয়সমুহ তুলে ধরেন, এ বক্তব্য রাখেন , বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এর সিনিয়র সহসভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেক,, সাবেক সেক্রেটরী মিনহাজুল আলম ন, ভালিয়েন্তে বাংলার ফজলে এলাহী, কমিউনিটি নেতা বেলাল আহমেদ,আব্দুর রহমান ,জাকির হুসেন, জহিরুল ইসলাম নয়ন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব স্পেনের সভাপতি এ কে এম জহিরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক বকুল খান, যুগ্ম সম্পাদক দবির তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুদ্দীন রাজি, মোহাম্মদ সেলিম, আবুলকাশেম, সোহেল ভূঁইয়া, আল আমিন মিয়া, শাহ আলম,,আইয়ুব আলী, এস এম মাসুদ, জাকির হোসেন, ইসলাম উদ্দিন, একরামুল হক, আব্দুর রহমান, আব্দুল গফুর মিলন,মোঃ স্বাধীন,ইসলাম উদ্দিন, হানিফ মিয়াজী,তারেক হুসেন সহ আরো অনেকে।রাষ্ট্রদূত ছাড়াও উপস্তিত ছিলেন,দুতাবাস মিনিস্টার ও হেড অব চ্যান্সরিভারুন আল রাশিদ,কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মোহাম্মেদ নাভিদ শফিউল্লাহ, প্রথম সচিব’ শ্রম উইং শরিফুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে,পাসপোর্ট জটিলতায় ও দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে বাংলাদেশী অনেকের বৈধ কাগজ পাওয়ার পথ বন্ধ হওয়ার উপক্রম। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বার বার চিঠি চালাচালির পরও কোন সুরাহা হয়নি। বরং পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করে অনিশ্চিত করা হচ্ছে শত শত বাংলাদেশদের ভবিষ্যৎ।এ যেন মরারা উপর খাঁড়ার ঘা র মতো অবস্থা। স্পেন প্রবাসীরা দূতাবাসের মাধ্যমে নাম বা অন্যান্য তথ্যাবলি সংশোধনি ,পুরাতন হাতের লেখা পাসপোর্টের নম্বর থাকা,ভিন্ন নামে পাসপোর্ট থাকা সংক্রান্ত। এফিডিফেট সহ, পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় সত্যায়িত করেও দূতাবাস জমা নিলেও আগারগাও পাসপোর্ট অধিদপ্তর আফিক্স রিজেক্ট করে ফাইল বন্দি করে রাখে,আবেদনটি । আর এ ভাবেই ডিজিটাল সিস্টেমের সুফল নিতে পারছেনা রেমিট্যান্স যুদ্ধারা। ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ টি পাসপোর্ট এক বছর হেকে শুরু করে ৬ মাস অবধি অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। অনেকে দূতাবাসের তদবির এর কোন কমতি করেনি, তারপরও আশ্বাস মেলেনি। দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোন প্রকার নিশ্চয়তা মিলছে না, তাদের একটাই কথা,এটা পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর হেড অফিসের এখতিয়ার । এ ব্যাপারে স্পেন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, , ডিজিটাল ফরম্যাট চলে আসায় ,এখন কারো তথ্য যদি পরিবর্তন ঘটে,তবে এটাকে আফিক্স রিজেক্ট করে,ঢাকা। তখন প্রথম ধাপেই এ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তিনি, আরও বলেন, ইতিমধ্যে মন্ত্রনালয় থেকে চিটি প্রেরন করা হয়েছে, এ রকম কোন পাসপোর্ট এর ফিঙ্গার দূতাবাস থেকে গ্রহন না করার জন্য। ইউরোপের মধ্যে স্পেন হল একমাত্র দেশ যেখানে ইমিগ্র্যান্ড হওয়ার রয়েছে সুযোগ,পাসপোর্ট জটিলতায় কারনে বাংলাদেশি অনেকেই যারা বিভিন্ন দেশ ঘুরে অনেক কষ্ট,গ্লানি স্বীকার করে বৈধ হলেও শুধুমাত্র পাসপোর্টে জন্য দেশে যেতে পারছেন না। কেউবা বৈধ হওয়ার সুযোগ নিতে পারছেন না, এছ্রাড়াও অনেক বাংলাদেশীরাও সিল সহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট জালিয়াতি করছেন ,তাদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহবান জানান এ সভা থেকে।

এতে করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে আমাদের। সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির শিগ্রই দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে কমিউনিটির শীর্ষ ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে এ সমস্যা নিয়ে ত্বরিত সমাধানের জন্য সাক্ষাৎএবং পরবর্তীতেনতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান। উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে প্রবাসে পাড়ি জমানো জাজাবর দেশ হিতৈষী মানুষের প্রথম পছন্দ ইউরোপ। ইউরোপের স্বপ্নের সোনার হরিন ধরতে এই মানুষেরা ভিটেমাটি বিক্রি করেও সাগর মরুতে অঘোরে প্রাণ হারাতে হয় প্রায়ঃশই। সব জেনেও দূর্দম স্বপ্নচারী এসব মানুষ এ পথেই পা বাড়ান অকুতোভয়ে। এই সব মানুষেরা ইউরোপে প্রবেশের পর শুরু হয় বৈধতা অর্জনের নতুন সংগ্রাম। মানুষ আশ্রয় নেয় ডানবাম কৌশলের, উন্নয়নশীল দরিদ্রদেশ হিসেবে বাংলাদেশ অথরিটিও তা মেনে নিয়ে এইসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা থাকলেও সম্প্রতিক দিনগুলোতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারনে ভুক্তভোগী মানুষের ভোগান্তিই শুধু বাড়ছে। এই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ বৈধতা অর্জনের পর পুনরায় অবৈধ হয়ে গেছেন। অভিভাবক বাংলাদেশ দূতাবাস তথা পাসপোর্টকর্তৃপক্ষের এহেন অসহযোগীতায় এইসব মানুষের সামনে এখন পুনরায় সাগরের লোনাজলে আত্মাহুতি দেয়া ব্যতীত আর কোন গত্যন্তর নেই।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে প্রবাসে পাড়ি জমানো জাজাবর দেশ হিতৈষী মানুষের প্রথম পছন্দ ইউরোপ। ইউরোপের স্বপ্নের সোনার হরিন ধরতে এই মানুষেরা ভিটেমাটি বিক্রি করেও সাগর মরুতে অঘোরে প্রাণ হারাতে হয়। সব জেনেও দূর্দম স্বপ্নচারী এসব মানুষ এ পথেই পা বাড়ান অকুতোভয়ে। এই সব মানুষেরা ইউরোপে প্রবেশের পর শুরু হয় বৈধতা অর্জনের নতুন সংগ্রাম। মানুষ আশ্রয় নেয় ডানবাম কৌশলের, উন্নয়নশীল দরিদ্রদেশ হিসেবে বাংলাদেশ অথরিটিও তা মেনে নিয়ে এইসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা থাকলেও সম্প্রতিক দিনগুলোতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারনে ভুক্তভোগী মানুষের ভোগান্তিই শুধু বাড়ছে। এই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ বৈধতা অর্জনের পর পুনরায় অবৈধ হয়ে গেছেন। অভিভাবক বাংলাদেশ দূতাবাস তথা পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের এহেন অসহযোগীতায় এইসব মানুষের সামনে এখন পুনরায় সাগরের লোনাজলে আত্মাহুতি দেয়া ব্যতীত আর কোন গত্যন্তর নেই।নিজ পরিবার ও দেশমাতৃকার সেবক এইসব মৃতুঞ্জয়ী মানুষ পাসপোর্ট বিহীন হয়ে অবশেষে দেশ পরিচয়হীন হয়ে পড়েছে।মানবতার উৎকর্ষের ইউরোপে এইসব মানুষের প্রতি স্বদেশের মানবতা মুখথুবড়ে পড়ায় কিংকর্তব্যবিমুখ হয়ে পড়েছে এইসব দূর্ভাগা বাংলামায়ের সন্তানেরা।

মাদ্রিদের বাংলাদেশ এম্বাসীতে অনুষ্ঠিত এই সভা থেকে এম্বাসীর মাধ্যমে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এই সমস্যা সমাধানের জোরদাবী জানানো হয়,উপস্তিত বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের কমিটির প্রতিনিধিরা। আমলাতান্ত্রিক গ্যাঁড়াকলে পড়ে প্রবাসিদের ছোট সমস্যা কি কোন সমাধান নেই,এ প্রশ্ন এখন সবার মাঝে। এ ব্যাপারে সাধারন সম্পাদক কাম্রুজ্জামান সুন্দর বলেন, আমরা গণস্বাক্ষর মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি দিবো বাংলাদশ সরকারের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *