Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

‘বাঘ সুরক্ষায় শপথ করি, সুন্দরবন রক্ষা করি’

1 min read

বাঘ সুরক্ষায় শপথ করি, সুন্দরবন রক্ষা করি’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বের ১৩টি দেশে বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সমাবেশ, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হবে।

 

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তিন বছরে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে আটটি। ২০১৫ সালে ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া যায় ১০৬টি। তাছাড়া সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের বিচরণক্ষেত্র ৪৪৬৪ বর্গ কিলোমিটার। তাই বাঘ গবেষণা ও জরিপে সর্বাধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি এসইসিআর মডেলে তথ্য বিশ্লেষণ হয়। তাতে দেখা যায়, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১১৪টি। বাঘের সংখ্যা বাড়াতে প্রকল্পের মাধ্যমে বন এলাকার মানুষদের সচেতনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

 

পরিবেশবিদদের মতে, সুন্দরবনে এক সময় প্রায় সাড়ে পাঁচশ রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিচরণ করতো। কিন্তু বাঘ কমে যাওয়ার পিছনে যেসব কারণ ছিল তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল চোরা শিকারি। এই চোরা শিকারিরা বাঘ ও হরিণ শিকার করে পাচার করে। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবেশ দূষণের কারণেও কমেছে বাঘের সংখ্যা।

 

বন সংরক্ষক খুলনা অঞ্চলের সূত্রে জানা যায়, ২০১৪-২০১৮ সালে সুন্দরবনে বাঘ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ সময় বাঘ বাঁচাতে সুন্দরবনের সঙ্গে জড়িত সব পেশাজীবীদের সচেতন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিলেজ টাইগার রেফারেন্স টিমও গঠন করা হয়েছিলো। ২২টি কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপের সঙ্গে অস্ত্র সরঞ্জাম নিয়ে স্মার্ট পেট্রোলিং টিম কাজ করেছে।

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার তালুকদার বলেন, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অংশে বাঘ সংরক্ষণ, শিকার বন্ধ, বন সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে বাঘ লোকালয়ে আসলে পিটিয়ে হত্যার প্রবণতা কমেছে। এদিকে বাঘের হামলায় কেউ আহত হলে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং নিহত হলে এক লাখ টাকা দেয়া হচ্ছে।

 

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সাফল্য হরিণ শিকার কমে যাওয়া। বাঘের খাবারের ৮০ ভাগ আসে হরিণ থেকে। হরিণ শিকার কমে যাওয়ায় বাঘের খাদ্যের সমস্যা কমেছে। এতে করে বাঘ খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে কম আসছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সালে এই পরিবর্তন হয়েছে। এ বছরের ২২মে সর্বশেষ বাঘ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায় ২০১৫ সালের তুলনায় আটটি বাঘের সংখ্যা বেড়েছে।

 

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ও বাঘ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাতা সংস্থা ইউএসএআইডির অর্থায়নে ওয়াইল্ডটিম, স্মিথসোনিয়ান কারজারভেশন ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ বন বিভাগ সুন্দরবনে যৌথভাবে ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে বাঘ গণনা শুরু করে। ১১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি শেষ হয় ২০১৮ সালে।

 

জরিপে মোট চারটি ধাপে তিনটি ব্লকে ১৬৫৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ক্যামেরা বসিয়ে ২৪৯ দিন ধরে পরিচালিত ওই জরিপে ৬৩টি পূর্ণ বয়স্ক বাঘ, চারটি জুভেনাইল বাঘ (১২-১৪ মাস বয়সী) এবং পাঁচটি বাঘের বাচ্চার (০-১২ মাস বয়সী) দুই হাজার চারশ ৬৬টি ছবি পাওয়া যায়।

আরো সংবাদ

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA