|
সর্বশেষ
সিঙ্গাপুরে ভাষা শহিদ স্মরণে কবিতা প্রতিযোগিতা         মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফ্রান্সে ভাষার মেলা         অমিতাভের সঙ্গে টুইটার কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ         গ্রেস মুগাবের পিএইচডি নিয়ে দুর্নীতি, উপাচার্য গ্রেপ্তার         মালয়েশিয়া বিএনপির উদ্যোগে গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু         কানাডায় বাংলাদেশি তরুণীর কৃতিত্ব         আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আগের অবস্থান থেকে সরে আসছেন ট্রাম্প         জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ইন্টার্ন নারী চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ         খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না : ফখরুল         উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে জিএসপি সুবিধা পাবো : বাণিজ্যমন্ত্রী         জীবনে জীবন মেলাবার গল্প         ভাষার প্রতি ভালোবাসা         নেককার বান্দাদের জন্য জান্নাতের নেয়ামতের ঘোষণা         যে কারণে পেয়ারা খাবেন         মাতৃভাষা দিবসের নাটকে ঈশানা ও নিলয়        
প্রকাশিত হয়েছে : 11:11:05,অপরাহ্ন 10 February 2018 |

বাণিজ্যিক গতিশীলতায় বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে চট্টগ্রাম বন্দরসহ অন্যান্য সমুদ্রবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

 

শনিবার এফবিসিসিআই’র স্ট্যান্ডিং কমিটি রিলেটিং টু মিনিস্ট্রি অব শিপিং-(মেরিটাইম পোর্ট) এর সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের পণ্য লোড-আনলোড দ্রুতকরণ, গ্যান্ট্রি-ক্রেন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়ানোসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার।

 

এছাড়াও দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় সরকার সম্প্রতি জাতীয় সংসদে যে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ বিল পাশ করেছে সে প্রক্রিয়ায় নৌ-পরিবহণ এবং সমূদ্র পরিবহণ সেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন পক্ষকে সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান।

 

ব্যবসায়ীরা বলেন, সমুদ্র বন্দরসমূহের অদক্ষতা এবং বন্দর ব্যবহারকারীদের সুষ্ঠু সেবা প্রদান না করতে পারায় অনেক ক্ষেত্রেই আমদানি রফতানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ বেড়ে যায়। যার প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির ওপর পড়ে। বহু প্রতিক্ষিত পদ্মাসেতু চালু হলে মংলা ও পায়রা বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে।

 

 

 

সুতরাং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে এ কমিটিকে কাজ করতে হবে। এ কমিটির মাধ্যমে শিল্প-বাণিজ্য সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বক্তারা কয়েকটি সাব কমিটি গঠনের সুপারিশ করেন।

 

কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ আকতার সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির ডাইরেক্টর ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম।

 

এছাড়াও কমিটির কো-চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই পরিচালক হাফেজ হারুণ আলোচনা সভায় অংশ নেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*