বিপর্যয়ে শ্রীলংকা

হারলেই বিদায়, জিতলে আশা জিইয়ে থাকবে। এমন সমীকরণ নিয়ে আফগানিস্তানের দেয়া ২৫০ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে শ্রীলংকা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২১ ওভারে ৪ উইকেটে ৮৯ রান করেছে লংকানরা। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ২ ও শেহান জয়াসুরিয়া ১ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন।
জবাবে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি শ্রীলংকার। প্রথম ওভারেই মুজিব-উর-রহমানের শিকার বনে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। দ্বিতীয় উইকেটে ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন উপুল থারাঙ্গা। ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন ধনঞ্জয়াও। তবে হঠাৎই ভুল বোঝাবুঝি। ৫৪ রানে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি।
তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন থারাঙ্গা। কিন্তু তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কুশল পেরেরা। ব্যক্তিগত ১৭ রানে রশিদ খানের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। পরক্ষণেই হার মানেন থারাঙ্গা। গুলবাদিন নায়েবের শিকারে পরিণত হন তিনি। এর আগে ৬৪ বলে ৩ চারে লড়াকু ৩৬ রান করেন থারাঙ্গা। এতে বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা।
এর আগে আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তান অধিনায়ক আসগার আফগান। শুরুটা দারুণ করেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ ও ইহসানুল্লাহ। দুজনে মিলে গড়েন ৫৭ রানের জুটি। ৩৪ রান করে বিদায় নেন শাহজাদ। তবে থেকে যান ইহসানুল্লাহ।
দ্বিতীয় উইকেটে রহমত শাহকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন নতুন ব্যাটসম্যান। তবে হার মানেন ইহসানুল্লাহ। ৪৫ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। খানিক বাদেই ফিরে যান অধিনায়ক আসগার।
পরে হাশমতুল্লাহ শহিদিকে নিয়ে এগিয়ে যান রহমত। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন শহিদি। এতে বড় স্কোরের ভিত পেয়ে যায় আফগানিস্তান। ঠিক তখনই প্যাভিলিয়নে ফেরেন রহমত। ফেরার আগে লংকান বোলারদের তিনিই ভোগান বেশি। ৯০ বলে ৫ চারে ৭২ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন রহমত শাহ।
সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি শহিদি। ব্যক্তিগত ৩৭ রান করে ফেরেন তিনি। পরে মোহাম্মদ নবীর ১৫, নজিবুল্লাহ জাদরানের ১২ ও রশিদ খানের ১৩ রানের সুবাদে স্কোর বোর্ডে ২৪৯ তোলে আফগানরা। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন মুজিব-উর রহমান।
শ্রীলংকার হয়ে ৫৫ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন থিসারা পেরেরা। তবে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা। তিনি ১০ ওভারে দেন ৬৬ রান, উইকেট শিকার একটি। আকিলা ধনঞ্জয়া নেন ২ উইকেট।