Sat. Apr 4th, 2020

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

বিয়ের কার্ড ছাপানোর আগে যা জানা জরুরি

1 min read

এখন শীতকাল। বলতে গেলে বিয়ের মৌসুম। এ মৌসুমে যেখানে-সেখানে যার-তার বিয়ে হচ্ছে। তবে বিয়ের আগে বিয়ের নিমন্ত্রণ করার জন্য কার্ড ছাপাতে হয়। এটি এক ধরনের ঐতিহ্যগত ব্যাপার। কিন্তু জ্যোতিষী ও বাস্তুবিদরা বলছেন, এই বিয়ের কার্ডের মধ্যেও দম্পতির সুখ-দুঃখের ব্যাপার জড়িত আছে। কার্ডই বলে দেবে, দম্পতি সুখী হবে কি-না। আসুন জেনে নেই বিষয়গুলো—

কার্ডের আকৃতি: এখন নানা আকৃতির আধুনিক কার্ডের প্রচলন দেখা যায়। যেমন- ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, লম্বা, গোলাকার ইত্যাদি। তবে জ্যোতিষী ও বাস্তুবিদরা এটি করতে নিষেধ করেছেন। বরং প্রথম থেকে যে আয়তাকার কার্ড তৈরি হতো, সেটাই মেনে চলতে হবে। কারণ অন্য আকৃতি নব দম্পতির জীবনে জটিলতা আনতে পারে। বিশেষভাবে ত্রিভুজ আকারের কার্ড করতে একেবারেই নিষেধ করেছেন।

 

বর-কনের ছবি: বর্তমানে ডিজিটাল কার্ড করা হয়। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি আগে ডিজিটালি ডিজাইন করা হয়। আর সেখানে থাকে বর-কনের প্রি ওয়েডিং শুটের কিছু ছবি। এটা করতেও নিষেধ করা হয়। একসময় প্রচলন ছিল, বিয়ে ঠিক হয়ে গেলে মেয়েকে আর বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না। সে সূত্র ধরেই ছবি দিতে নিষেধ করা হয়। এতে মন্দ লোকের কুনজর পড়তে পারে বর-কনের ওপর।

card-in

কার্ডের রং: বিয়ের কার্ড সাধারণত সোনালি এবং লাল রঙের হয়ে থাকে। কোনোভাবেই যেন ধূসর রঙের না হয়। বিশেষ করে কালো ও ছাই রং একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এ রং পরবর্তীতে বৈবাহিক জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করবে। বিয়ের কার্ডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো যেকোনো উজ্জ্বল ও ঘন রং। লাল, নীল, বেগুনি রং বেছে নিতে পারেন।

 

হিন্দুধর্মীয় ছবি: হিন্দু ধর্মের অনেকেই বিয়ের কার্ডে দেবতার ছবি দেন। এ ক্ষেত্রে গণেশের ছবি খুব ভালো। কিন্তু নৃত্যরত গণেশের ছবি শুভ নয়। তবে রাধা-কৃষ্ণ, নৃত্যরত শিব ও নটরাজের ছবি দেওয়া যাবে না। কারণ রাধা-কৃষ্ণের কোনোদিন মিলন হয়নি। আর নৃত্যরত শিব ও নটরাজের ছবি তাদের রাগান্বিত রূপ। তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

card-in

সুগন্ধি কাগজ: বিয়ের কার্ডে চন্দন, গোলাপ ও জুঁইয়ের সুগন্ধ মাখা কাগজ ব্যবহার করতে পারেন। এ ফুলের গন্ধ সব রকমের অশুভ শক্তি বিনাশ করে। অতিথির কাছেও তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.