বিয়ের ৪০ বছর পর মেয়র টরির উপলব্দি

গুনে গুনে চল্লিশ বছর আগে দুজনে মিলে এই চার্চটায় এসেছিলেন তারা।ওয়েষ্ট এন্ড গল্ফ কোর্সের রেস্টুরেন্টে খেয়েছিলেন। ঠিক চল্লিশ বছর পর তারা আবার সেই জায়গাগুলোই ঘুরে বেড়ালেন দুজনে। চল্লিশ বছর আগে এই দিনে যে পোশাকটি পড়েছিলেন বারবারা নামের মেয়েটি খুঁজে খুঁজে সেই পোশাকটিই পড়লেন  তিনি। সঙ্গী টরি  এই দিনের একটি ছবির সাথে চল্লিশ বছর আগের এই দিনটার ছবিটিও টুইট করে দিলেন।এই  টরি আর কেউ নয়, টরন্টোর সিটি মেয়র জন টরি।

রোববার  ছিলো টরি আর বারবারার ৪০তম বিয়ে বার্ষিকী। বিয়ে  বার্ষিকীটি উদযাপনে তারা ১৯৭৮ সালের বিয়ের দিনটিকেই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। সেই দিনটিকে ফিরে পেতেই তারা ছুটে যান সেই চার্চটিতে যেখানে তাদের বিয়ে হয়েছিলো, খেতে যান সেই রেস্টুরেন্টে যেখানে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি হয়েছিলো।

৪০ বছরের সময়ে তাদের জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় কি?- প্রশ্নের জবাবে সহাস্যে টরি জানিয়েছেন- এখনো আমরা একে অপরের কথা সম্পূর্ণ করে দিতে পারি।

 

বারবারা কি ৪০ বছর ধরেই বিয়ের পোশাকটা ধরে রেখেছে?

: হুমম- এটা কিন্তু এখনো তার গায়ে একই রকম ফিট হয়। আমরা যখন বিয়ে করি, সেই সময় থেকে বারবারা আসলে তেমন একটা পাল্টায়নি। একই রকম আছে।

তা হলে টরির বিয়ের পোশাকটি কোথায়? হাসতে হাসতে জানান মেয়র জন টরি- তিনি আসলে দোকান থেকে ভাড়ায় আনা পোশাক পরেই বিয়ের আসরে বসেছিলেন।

টরি আর বারবারার দেখা হয়েছিলো ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ফ্রেঞ্চ ক্লাশে। সেখানেই প্রেম তার পর এক সাথে পথ চলা।

 

চল্লিশ বছরের যৌথ জীবনের মুলমন্ত্রটা কি?- এক কথায় উত্তর দেন মেয়র জন টরি- সম্মান।তুমি হয় তো প্রেম রোমাঞ্চ, আনন্দ, হাসি তামাশার কথা বলতে পারো। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ‘সম্মান করতে পারা’- পরষ্পরকে সম্মান করতে পারা। আর চল্লিশতম বিয়ে বার্ষিকীতে বারবারার অনুভূতি কি? তেমন কিছুই না, তিনি শুধু জীবন সাথী টরির দিকে তাকিয়ে বললেন, আশা করি তুমি যা তা ই হওয়াটা তুমি বন্ধ করে দেবে না। কথা দিচ্ছি, আমি যা- তাই হওয়া আমি বন্ধ করবো না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.