মধুখালী মরিচের ঝাজ কড়া

প্রকাশিত:শনিবার, ২৫ জুলা ২০২০ ০১:০৭

মধুখালী মরিচের ঝাজ কড়া

মধুখালী (ফরিদপুর) :
ফরিদপুরের মধুখালীতে মরিচের প্রচুর দাম থাকা স্বত্বেও কৃষকের মুখে হাসি নাই।
অতি বর্ষন এবং ভাইরাসের কারনে মরিচ গাছ মরে যাওয়ায় দাম হলেও করচের টাকা ঘরে তুলতে পারছেন না মরিচ চাষী । মরিচের ঝাজ কড়া হলেও লোকসানে মাথায় হাত।
মধুখালী কাঁচা মরিচের আড়তে বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিমণ ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজারে বিক্রি হচ্ছে। খোলা বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ১৮০ টাকা । কিছুদিন আগেও মরিচ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। মধুখালী মরিচের আড়ত থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হয়ে থাকে।
দাম বাড়ার কারন টানা বৃষ্টি এবং মরিচ গাছে পোকা ও গাছ মরে যাবার জন্য দায়ী করছেন কৃষকরা। হঠাৎ কাঁচা মরিচের মূল্য এত বৃদ্ধির কারণ জিজ্ঞাসা করলে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। আড়তে মরিচের আমদানী কম । আড়ত থেকে বাড়তি দরে কিনে এনে স্বল্প লাভে বিক্রি করছি ।
দক্ষিণ অঞ্চলের অন্যতম পাইকেরি কাচাঁ মরিচের আড়ত। মধুখালী বাজারের কাঁচা মরিচের আড়তদার ব্যবসায়ী মির্জা আহসানুজ্জামান আজাউল ও মির্জা আবু জাফর বলেন, অতি বৃষ্টির কারণে মরিচ ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। গাছে এবার ফলনও কম। বাজারে কাঁচা মরিচের আমদানি কম। সে জন্য মরিচের দাম বেড়েছে। মরিচের এই ঝাজ কোন নাগাদ কমবে কেউ সেটা বলতে পারেন না। সহসা যে কমবে না মরিচের মাঠের অবস্থা দেখেই বুঝা যায়। এদিকে ছোট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর নূর বলেন দাম একটু চড়া থাকলে কৃষকেরা হাসি মুখে কিছু টাকা ঘরে নিতে পারে অন্যদিকে আমাদের মত ছোট ব্যবসায়ীদের লাভ বেশি হয়।
মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রতাপ মন্ডল বলেন এ বছর উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে ২ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী অতি বৃষ্টিতে মরিচ গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ৩০ জুনে ক্ষতির পরিমান প্রায় ৪৬৩ হেক্টর জমির। উপজেলার ৩৪ জন উপসহকারী- কৃষি কর্মকর্তা প্রতিনিয়ত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে মরিচের যে সাজ (ধর) আসছে ভাল ফলন পাওয়া যাবে।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •