Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

মহানগর যুবলীগের কাউন্সিল সম্পন্ন: সভাপতি মুক্তি, সম্পাদক মুশফিক

দীর্ঘ ১৪ বছর পর সিলেট মহানগর যুবলীগ নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে। আজ মহানগর যুবলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন আলম খান মুক্তি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মুশফিক জায়গীরদার।

 

দুপুর ২টায় মহানগর যুবলীগের সম্মেলনের ১ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকাল ৫টায় কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে ২য় অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে কাউন্সিলর প্রত্যক্ষ ভোটে নেতা নির্বাচিত করা হয়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজি আনিসুর রহমান।

 

 

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ ওমর ফারুক চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদ, হাফিজ উদ্দিন আহমদ মজুমদার এমপি, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ এমপি, যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. বেলাল হোসাইন, ড. আহমেদ আল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড. লুৎফুর রহমান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমেদ।

 

নেতৃবৃন্দের সামনেই কাউন্সিলরদের ভোট গণনা করা হয়। পরে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

 

এর আগে ২০০৪ সালে মহানগর যুবলীগে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে সমঝোতার মধ্যে দিয়ে সৈয়দ শামীম আহমদ ও আবদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয়ভাবে আলম খান মুক্তিকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে সম্মেলন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু পাঁচ বছরেও মহানগর সম্মেলন হয়নি।

 

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA