মিয়ানমার থেকে ইলিশ আমদানি করছে ভারত

বাংলাদেশে খোকা ইলিশ (জাটকা ইলিশ) ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কলকাতায় এ বছরও পদ্মার ইলিশ ঢোকার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই এখানে এবারের পয়লা বৈশাখেও আসবে না পদ্মার ইলিশ। কিন্তু তা বলে কি বাঙালির ইলিশ ছাড়া পয়লা বৈশাখ জমবে!

 

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে কলকাতার ভোজন রসিক বাঙালির চাহিদা পূরণ করতে মিয়ানমার থেকে কলকাতায় বিমানে উড়িয়ে আনা হচ্ছে টাটকা ইলিশ।

 

রাজ্য মৎস্য দপ্তর এবং ফিশ ইম্পোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (হিলসা) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে পদ্মার ইলিশ পাঠানো বন্ধ করেছে। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে জামাই ষষ্ঠীতে শুরু হতো ইলিশের আমদানি। নববর্ষেও কিছু ইলিশ পাওয়া যেতো। আর সেই ইলিশ দূর্গাপূজা পর্যন্ত চলতো।

 

 

 

এ বছর পয়লা বৈশাখে পদ্মার ইলিশ এই রাজ্যে ঢুকবে না-সেই খবর আগে থেকেই জানতেন ইলিশ আমদানিকারীরা।তাই বর্ষাকালেই পশ্চিমবঙ্গের যে সকল জায়গা থেকে ইলিশ ধরা হয় চলতি বছর প্রচুর উৎপাদন হওয়ায় অনেক পরিমাণে মাছ হিমঘরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

 

পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইম্পোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (হিলসা) সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের মৎস্যমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের ঘরে প্রস্তাব দিয়েছেন মাত্র, এখনও নিষেধাজ্ঞা ওঠেনি। তাই পদ্মার ইলিশ এবারও আসছে না। এমনকি, পয়লা বৈশাখে বাংলাদেশের বটতলায় পান্তা ভাতের সঙ্গে যে ইলিশের উৎসব হতো, তাও বন্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার। যাতে এখন কেউ খোকা ইলিশ (জাটকা) না ধরে।

 

তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যে উৎপাদিত ইলিশের পরিমাণ প্রায় ২৫০ টন এবং মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ইলিশ প্রায় ২৫০ টন-মিলিয়ে হিমঘরে মোট ৫০০ টন ইলিশ মজুত করা আছে। পয়লা বৈশাখের দু’দিন আগেই মিয়ানমারের ইয়াঙ্গন বিমানবন্দর থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে আমরা দু’টন টাটকা ইলিশ কলকাতায় নিয়ে আসছি। মিয়ানমারের বড় ইলিশের স্বাদও বেশ ভালো।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *