মৌলিক ও মানবাধিকার বঞ্চিত তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) সম্প্রদায়

প্রকাশিত:বুধবার, ২৭ জুলা ২০১৬ ০১:০৭

তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) সম্প্রদায়ের কয়েকজন

তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) সম্প্রদায়ের কয়েকজন

ডেস্ক রিপোট ঃ
হিজড়া অতি পরিচিত একটি জনগোষ্ঠি। সচরাচর রাস্তাঘাট হাট বাজারে এদের দেখা মিলে। সমাজে এদের কেউ ভালো চোখে দেখেনা। আর এই কারনে পদে পদে তাদের মৌলিক ও মানবাধিকার থেকে পদদলীত ও বঞ্চিত হচ্ছে। যদি ও তারা সমাজের তৃতীয় লিঙ্গ হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আইনগত ভাবে তারা তৃতীয় লিঙ্গ স্বীকৃতি পেলে ও আইনত হিজড়াদের যৌন কাজ অপরাধ। বাস্তবে মানুষ হিসাবে তাদের ও যৌন অনুুভূতি আছে।
হিজড়া কি-?
মূলত তাদের শারীরিক লিঙ্গের ত্রুটির কারনে এদের সৃষ্টি। তাদের লিঙ্গ ভেদে নারী বা পুরুষের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট থাকে না।
হিজড়া কত প্রকার ঃ শাররীকভাবে পুরুষ কিন্তু মানষিক ভাবে নারী বৈশিষ্টের হিজড়াদের অ-কুয়া বলে। অন্য হিজড়াদের বলা হয় জেনানা।
মানুষের হাতে সৃষ্ট বা (ক্যাসষ্ট্রেড) পুরুষদের বলা হয় চিন্নী।
হিজড়ারা তাদের আপন স্বজনদের সাথে সর্ম্পক বিচ্ছিন্ন থাকে। তারা প্রত্যেকে দলে থাকা গুরুকেই তাদের অবিভাবক হিসাবে মনে করে।
তারা অনেকে মুসলীম হলে ও হিন্দু রিতিনীতিতে বিশ্বাসী।তাই তারা মনে করে মৃতুর পরে তাদের আবার পূর্নজন্ম হবে। তবে ইদানীং ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে লিঙ্গে নারী পুরুষের বৈশিষ্ট থাকেনা।
সাধারনত এরা একটি নেতৃত্বে দলবদ্ধ হয়ে সমাজের বিভিন্ন স্থানে যেমন বাজার,ব্যবসায়ী কিংবা বাসা বাড়িতে সাহায্য সহযোগীতা গ্রহন করে। কোন বাড়িতে সন্তান ভূমিষ্ট হলে ও তারা খবর পেলে নেচে গেয়ে আনন্দ দিয়ে বকশিস নিয়ে থাকে।
সরকার তাদের ভোটারাধীকার প্রয়োগের অধিকার দিয়েছে এবং বিভিন্ন অধিকার আদায়ে সুবিধা প্রদান করেছে। এ ব্যাপারে আলাপকালে বরিশালের বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও মানবাধীকার কর্মী ডাঃ হাবিবুর রহমান বলেন, মূলতঃ হিজরাদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন হিজড়ারা আমাদের সমাজেরই একটি অংশ। সাধারন মানুষের যে অধিকার রয়েছে তা হিজড়ারদের ও রয়েছে। তাদের অধিকার দিতে হবে।

এই সংবাদটি 1,243 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •